শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / ঈমান ও আক্বীদাহ

ঈমান ও আক্বীদাহ

তওয়াফ চত্বরে কোন কোন জামাআতের দেখা যায়, তারা তাদের মহিলাদেরকে পরপুরুষের দেহ স্পর্শ থেকে বাঁচাতে হাতে হাত দিয়ে ঘিরে রাখে। ফলে তাদের কারো কারো বুক বা পিঠ কাবার দিকে হয়। তাদের তওয়াফ কি শুদ্ধ হবে?
তওয়াফ চত্বরে কোন কোন জামাআতের দেখা যায়, তারা তাদের মহিলাদেরকে পরপুরুষের দেহ স্পর্শ থেকে বাঁচাতে হাতে হাত দিয়ে ঘিরে রাখে। ফলে তাদের কারো কারো বুক বা পিঠ কাবার দিকে হয়। তাদের তওয়াফ কি শুদ্ধ হবে?
আমরা সঊদি আরবে অল্প বেতনে কাজ করি। হজ্জ করার মত টাকা জমাতে পারি না। ইসলামিক দাওয়াত সেন্টারের সহযোগিতায় আমরা হজ্জ করেছি। পরবর্তীতে নিজে হজ্জ করার মতো সামর্থ্য হয়েছে। এখন আমাদের হজ্জের ফরয আদায় হয়ে গেছে, নাকি দ্বিতীয়বার নিজের টাকায় হজ্জ করতে হবে?
আমরা সঊদি আরবে অল্প বেতনে কাজ করি। হজ্জ করার মত টাকা জমাতে পারি না। ইসলামিক দাওয়াত সেন্টারের সহযোগিতায় আমরা হজ্জ করেছি। পরবর্তীতে নিজে হজ্জ করার মতো সামর্থ্য হয়েছে। এখন আমাদের হজ্জের ফরয আদায় হয়ে গেছে, নাকি দ্বিতীয়বার নিজের টাকায় হজ্জ করতে হবে?
বিদায়ী তওয়াফ করার আগে মহিলার মাসিক শুরু হয়েছে। কেউ কেউ দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওদিকে সফর সঙ্গীরা যথাসময়ে বিদায় নিচ্ছে। তাহলে মহিলা ও অসুস্থ ব্যক্তি বিদায়ী তওয়াফ না করতে পারলে কি দম লাগবে?
বিদায়ী তওয়াফ করার আগে মহিলার মাসিক শুরু হয়েছে। কেউ কেউ দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওদিকে সফর সঙ্গীরা যথাসময়ে বিদায় নিচ্ছে। তাহলে মহিলা ও অসুস্থ ব্যক্তি বিদায়ী তওয়াফ না করতে পারলে কি দম লাগবে?
ভেবেছিলাম কুরবানী দিতে পারব না। তাই তাশরীকের দিনগুলিতে রোযা রাখলাম। কিন্তু ১৩ তারিখের রাত্রে মনে হল, আমার কাছে যে টাকা আছে, তাঁতে কুরবানী দেওয়া যেতো। তাছাড়া বাড়ী ফিরে ৭ টি রোযা রাখাও কঠিন। সুতরাং ১৪ তারিখের রাতে বা দিনে কুরবানী দিলে কি তা যথেষ্ট হবে?
ভেবেছিলাম কুরবানী দিতে পারব না। তাই তাশরীকের দিনগুলিতে রোযা রাখলাম। কিন্তু ১৩ তারিখের রাত্রে মনে হল, আমার কাছে যে টাকা আছে, তাঁতে কুরবানী দেওয়া যেতো। তাছাড়া বাড়ী ফিরে ৭ টি রোযা রাখাও কঠিন। সুতরাং ১৪ তারিখের রাতে বা দিনে কুরবানী দিলে কি তা যথেষ্ট হবে?
আমি এক ধনী মহিলা। আমার উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। কিন্তু আমার স্বামী সাথে যেতে রাজী নয়, আমাকে কারো সঙ্গে ছাড়তেও রাজী নয়। এ বছরে আমার বড় ভাই হজ্জে যাচ্ছেন। আমি কি তাঁর সাথে স্বামীর তোয়াক্কা না করে হজ্জ করতে পারি? নাকি স্বামীর অনুমতি জরুরী?
আমি এক ধনী মহিলা। আমার উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। কিন্তু আমার স্বামী সাথে যেতে রাজী নয়, আমাকে কারো সঙ্গে ছাড়তেও রাজী নয়। এ বছরে আমার বড় ভাই হজ্জে যাচ্ছেন। আমি কি তাঁর সাথে স্বামীর তোয়াক্কা না করে হজ্জ করতে পারি? নাকি স্বামীর অনুমতি জরুরী?
এক মহিলা উমরাহ আদায়ে একাকিনী যেতে চায়। তাঁর এগানা আত্মীয় রিয়াদ এয়ারপোর্টে প্লেনে উঠিয়ে দিয়ে আসে এবং অন্য এগানা আত্মীয় জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে তাকে উমরাহ করিয়ে অনুরূপ বাড়ী ফিরিয়ে দিলে তাতে কোন সমস্যা আছে কি?
এক মহিলা উমরাহ আদায়ে একাকিনী যেতে চায়। তাঁর এগানা আত্মীয় রিয়াদ এয়ারপোর্টে প্লেনে উঠিয়ে দিয়ে আসে এবং অন্য এগানা আত্মীয় জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে তাকে উমরাহ করিয়ে অনুরূপ বাড়ী ফিরিয়ে দিলে তাতে কোন সমস্যা আছে কি?
এগারো মাসে নামায পড়ে না। রমযান এলে রোযা রাখে ও নামায পড়ে। এমন লোকের রোযা কবুল হবে কি? রোযার উপর নামাযের প্রভাব আছে কি? তাঁরা রোযা রেখে (জান্নাতের) ‘রাইয়ান’ গেটে প্রবেশকারীদের সঙ্গে প্রবেশ করবে না কি? ‘এক রমযান থেকে ওপর রমযান মধ্যবর্তী সকল গোনাহকে মোচন করে দেয়।’—এ কথা ঠিক নয় কি?
এগারো মাসে নামায পড়ে না। রমযান এলে রোযা রাখে ও নামায পড়ে। এমন লোকের রোযা কবুল হবে কি? রোযার উপর নামাযের প্রভাব আছে কি? তাঁরা রোযা রেখে (জান্নাতের) ‘রাইয়ান’ গেটে প্রবেশকারীদের সঙ্গে প্রবেশ করবে না কি? ‘এক রমযান থেকে ওপর রমযান মধ্যবর্তী সকল গোনাহকে মোচন করে দেয়।’—এ কথা ঠিক নয় কি?
কর্মক্ষেত্রে পানি নেই। বাসায় পানি আছে। নামাযের ওয়াক্ত যাওয়ার আগে বাসায় পৌঁছে যাবে। নামাযের সময় হলে তায়াম্মুম করে আওয়াল ওয়াক্তে নামায পরে নেবে, নাকি বাসায় ফিরে শেষ ওয়াক্তে উযূ করে নামায পড়ব?
কর্মক্ষেত্রে পানি নেই। বাসায় পানি আছে। নামাযের ওয়াক্ত যাওয়ার আগে বাসায় পৌঁছে যাবে। নামাযের সময় হলে তায়াম্মুম করে আওয়াল ওয়াক্তে নামায পরে নেবে, নাকি বাসায় ফিরে শেষ ওয়াক্তে উযূ করে নামায পড়ব?
কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?
কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?
জামাআত চলাকালে ইমাম রুকূ অবস্থায় থাকলে অনেক নামাযী বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে রুকুতে দেরি করতে বলে। যাতে সে রুকু বা রাকআত পেয়ে যায়। কেউ দৌড়ে আসে, কেউ সজোরে পদক্ষেপ করে, কেউ গলা-সাড়া দেয়, কেউ ‘ইন্নাল্লাহা মা’আস স্বাবেরীন’ বলে। শরীয়তের দৃস্টিতে এমন কাজ বৈধ কি?
জামাআত চলাকালে ইমাম রুকূ অবস্থায় থাকলে অনেক নামাযী বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে রুকুতে দেরি করতে বলে। যাতে সে রুকু বা রাকআত পেয়ে যায়। কেউ দৌড়ে আসে, কেউ সজোরে পদক্ষেপ করে, কেউ গলা-সাড়া দেয়, কেউ ‘ইন্নাল্লাহা মা’আস স্বাবেরীন’ বলে। শরীয়তের দৃস্টিতে এমন কাজ বৈধ কি?
মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদ ছেড়ে অন্য মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদে জুমআহ বা তারাবীহ ইত্যাদি নামায পড়তে যাওয়া বৈধ কি? তাতে উদ্দেশ্য থাকে ভাল খতীবের ভাল বক্তব্য শোনা এবং সুমধুর কণ্ঠবিশিষ্ট ক্বারি ইমামের কুরআন শুনে উপকৃত হওয়া। সাইকেল বা গাড়িযোগে গেলে কি তা হাদিসে বর্ণিত নিষেধের আওতায় পড়ে, যাতে বলা হয়েছে, “তিন মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সফর করা যাবে না; মদিনা শরীফের মসজিদে নববী, মাসজিদুল হারাম (কা’বা শরীফ) ও মসজিদে আকসা (প্যালেষ্টাইনের জেরুজালেমের মসজিদ)।” ১৬১ (বুখারী ১৯৯৫, মুসলিম ১৩৯৭ নং)
মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদ ছেড়ে অন্য মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদে জুমআহ বা তারাবীহ ইত্যাদি নামায পড়তে যাওয়া বৈধ কি? তাতে উদ্দেশ্য থাকে ভাল খতীবের ভাল বক্তব্য শোনা এবং সুমধুর কণ্ঠবিশিষ্ট ক্বারি ইমামের কুরআন শুনে উপকৃত হওয়া। সাইকেল বা গাড়িযোগে গেলে কি তা হাদিসে বর্ণিত নিষেধের আওতায় পড়ে, যাতে বলা হয়েছে, “তিন মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সফর করা যাবে না; মদিনা শরীফের মসজিদে নববী, মাসজিদুল হারাম (কা’বা শরীফ) ও মসজিদে আকসা (প্যালেষ্টাইনের জেরুজালেমের মসজিদ)।” ১৬১ (বুখারী ১৯৯৫, মুসলিম ১৩৯৭ নং)
আমার রাত্রে শুতে দেরি হয়। ডিউটি শুরু হয় সকাল সাতটা থেকে। ফজর হয় চারটায়। ফজরের সময় উঠে জামায়াতে নামায পড়লে এবং তারপর শুলে আর ঘুম হয় না। সুতরাং আমি যদি ডিউটি শুরুর এক ঘণ্টা আগে এলার্ম লাগিয়ে শুই এবং ডিউটিতে যাবার আগে ফজরের নামাযটা পরে নেই, তাহলে কি যথেষ্ট হবে না?
আমার রাত্রে শুতে দেরি হয়। ডিউটি শুরু হয় সকাল সাতটা থেকে। ফজর হয় চারটায়। ফজরের সময় উঠে জামায়াতে নামায পড়লে এবং তারপর শুলে আর ঘুম হয় না। সুতরাং আমি যদি ডিউটি শুরুর এক ঘণ্টা আগে এলার্ম লাগিয়ে শুই এবং ডিউটিতে যাবার আগে ফজরের নামাযটা পরে নেই, তাহলে কি যথেষ্ট হবে না?
আবূ হুরাইরা (রঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সঃ) কে বলতে শুনেছি যে, “নিশ্চয় আমরা উম্মতকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় ডাকা হবে, যে সময় তাঁদের উযূর অঙ্গগুলো চমকাতে থাকবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তাঁর চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।” (অর্থাৎ সে যেন তাঁর উযূর সীমার অতিরিক্ত অংশও ধুয়ে ফেলে।) ১৩১(বুখারী, মুসলিম) উলামাগণ বলেছেন, “সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তাঁর চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।”—এই বাক্যটি নবী (সঃ) এর নয়, বরং তা আবূ হুরাইরার। আর আবূ হুরাইরা নিজেও উযূতে হাত ধোয়ার সময় বগল পর্যন্ত ধুতেন। অতঃএব আমাদের কি তা করা বৈধ?
আবূ হুরাইরা (রঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সঃ) কে বলতে শুনেছি যে, “নিশ্চয় আমরা উম্মতকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় ডাকা হবে, যে সময় তাঁদের উযূর অঙ্গগুলো চমকাতে থাকবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তাঁর চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।” (অর্থাৎ সে যেন তাঁর উযূর সীমার অতিরিক্ত অংশও ধুয়ে ফেলে।) ১৩১(বুখারী, মুসলিম) উলামাগণ বলেছেন, “সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তাঁর চমক বাড়াতে চায়, সে যেন তা করে।”—এই বাক্যটি নবী (সঃ) এর নয়, বরং তা আবূ হুরাইরার। আর আবূ হুরাইরা নিজেও উযূতে হাত ধোয়ার সময় বগল পর্যন্ত ধুতেন। অতঃএব আমাদের কি তা করা বৈধ?
হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) কে সোমবার দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে।”(মুসলিম)এ হাদিস থেকে কি প্রমাণ হয় না যে, মহানবী (সঃ) নিজের জন্মদিন পালন করতেন?
হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) কে সোমবার দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে।”(মুসলিম)এ হাদিস থেকে কি প্রমাণ হয় না যে, মহানবী (সঃ) নিজের জন্মদিন পালন করতেন?
‘বিদআতে হাসনাহ’ নামক কোন বিদআত আছে কি, যা করলে সওয়াব হয়? যেহেতু হাদিসে আছে, “যে ব্যক্তি ইসলামে ভাল রীতি চালু করবে, সে তাঁর নিজের এবং সমস্ত লোকের সওয়াব পাবে, যারা তাঁর (মৃত্যুর) পর তাঁর উপর আমল করবে। তাঁদের সওয়াবের কিছু পরিমাণও কম করা হবে না। ৮৪ (মুসলিম)
‘বিদআতে হাসনাহ’ নামক কোন বিদআত আছে কি, যা করলে সওয়াব হয়? যেহেতু হাদিসে আছে, “যে ব্যক্তি ইসলামে ভাল রীতি চালু করবে, সে তাঁর নিজের এবং সমস্ত লোকের সওয়াব পাবে, যারা তাঁর (মৃত্যুর) পর তাঁর উপর আমল করবে। তাঁদের সওয়াবের কিছু পরিমাণও কম করা হবে না। ৮৪ (মুসলিম)
অনেক শিক্ষিত মুসলিম পরিবার আছে, যারা কুরআন শেখে না, শিখে থাকলেও নিয়মিত তিলাওয়াত করে না, তিলাওয়াত করলেও মানে বুঝে (পড়ে) না, বুঝলেও যথাযথভাবে আমল করে না।এদের আলমারি অথবা দেয়াল এর তাকে বড় যত্নের সাথে কুরআন রাখা থাকে। এদের ব্যাপারে উপদেশ কি?
অনেক শিক্ষিত মুসলিম পরিবার আছে, যারা কুরআন শেখে না, শিখে থাকলেও নিয়মিত তিলাওয়াত করে না, তিলাওয়াত করলেও মানে বুঝে (পড়ে) না, বুঝলেও যথাযথভাবে আমল করে না।এদের আলমারি অথবা দেয়াল এর তাকে বড় যত্নের সাথে কুরআন রাখা থাকে। এদের ব্যাপারে উপদেশ কি?
অনেক সময় নবী (সঃ)-এর হুজরার আশেপাশে চিরকুট পড়ে থাকতে দেখা যায়, তাতে থাকে নানা আবেদন। সে আবেদন করা হয় নবী (সঃ)-এর কাছে। কেউ লেখে চাকরি চাই, কেউ লেখে সুখ-সমৃদ্ধি চাই, কেউ কেউ লেখে কিয়ামতে সুপারিশ চাই, কেউ লেখে ভাল স্বামী চাই ইত্যাদি। নবী (সঃ)-এর দরবারে এমন দরখাস্ত পেশ করার শরয়ী বিধান কি?
অনেক সময় নবী (সঃ)-এর হুজরার আশেপাশে চিরকুট পড়ে থাকতে দেখা যায়, তাতে থাকে নানা আবেদন। সে আবেদন করা হয় নবী (সঃ)-এর কাছে। কেউ লেখে চাকরি চাই, কেউ লেখে সুখ-সমৃদ্ধি চাই, কেউ কেউ লেখে কিয়ামতে সুপারিশ চাই, কেউ লেখে ভাল স্বামী চাই ইত্যাদি। নবী (সঃ)-এর দরবারে এমন দরখাস্ত পেশ করার শরয়ী বিধান কি?
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ﴾ ‘মনে রেখো, যারা আল্লাহ্‌র অলী, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না’ (ইউনুস ৬২)। উক্ত আয়াত কি অলী-আউলিয়াদের নিকট প্রার্থনা করার বৈধতা নির্দেশ করে?
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ﴾ ‘মনে রেখো, যারা আল্লাহ্‌র অলী, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না’ (ইউনুস ৬২)। উক্ত আয়াত কি অলী-আউলিয়াদের নিকট প্রার্থনা করার বৈধতা নির্দেশ করে?