শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / ঈমান ও আক্বীদাহ

ঈমান ও আক্বীদাহ

হাদিসে এসেছে, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন খারাপ কাজ দেখবে, সে যেন তা নিজ হাত দ্বারা পরিবর্তন করে দেয়। যদি (তাতে) ক্ষমতা না রাখে, তাহলে নিজ জিভ দ্বারা। যদি (তাতেও) সামর্থ্য না রাখে, তাহলে অন্তর দ্বারা।” কিন্তু মুসলিম অন্তর দ্বারা খারাপ কাজ কিভাবে পরিবর্তন করবে
হাদিসে এসেছে, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন খারাপ কাজ দেখবে, সে যেন তা নিজ হাত দ্বারা পরিবর্তন করে দেয়। যদি (তাতে) ক্ষমতা না রাখে, তাহলে নিজ জিভ দ্বারা। যদি (তাতেও) সামর্থ্য না রাখে, তাহলে অন্তর দ্বারা।” কিন্তু মুসলিম অন্তর দ্বারা খারাপ কাজ কিভাবে পরিবর্তন করবে
এক ব্যাক্তি গাড়ি কিনবে। সে এক গাড়ির ডিলারের কাছে গেল। কিন্তু তার কাছে সেই গাড়ি নেই, যা সে কিনবে। যোগাযোগের মাধ্যমে অন্য ডিলারের কাছ থেকে তাকে গাড়ি নিয়ে দিল নগদ ১ লক্ষ টাকা দামে। তারপর সে তার নিকট থেকে কিস্তি চুক্তিতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিল। কিস্তি দিয়ে অতিরিক্ত ওই ২০ হাজার টাকা খাওয়া কি ওই ডিলারের জন্য হালাল?
এক ব্যাক্তি গাড়ি কিনবে। সে এক গাড়ির ডিলারের কাছে গেল। কিন্তু তার কাছে সেই গাড়ি নেই, যা সে কিনবে। যোগাযোগের মাধ্যমে অন্য ডিলারের কাছ থেকে তাকে গাড়ি নিয়ে দিল নগদ ১ লক্ষ টাকা দামে। তারপর সে তার নিকট থেকে কিস্তি চুক্তিতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিল। কিস্তি দিয়ে অতিরিক্ত ওই ২০ হাজার টাকা খাওয়া কি ওই ডিলারের জন্য হালাল?
এক মহিলার অভ্যাস যে, সে তাঁর সন্তানদেরকে অভিশাপ ও গালিমন্দ করে থাকে। কখনো বা তাদেরকে প্রত্যেক ছোট বড় দোষে কথা দ্বারা, কখনো বা প্রহার করে কষ্ট দেয়। এই অভ্যাস থেকে ফিরে আসতে আমি তাকে একাধিকবার উপদেশ দিয়েছি। কিন্তু সে উত্তরে বলেছে, ‘তুমিই ওদের স্পর্ধা বাড়ালে অথচ ওরা কত দুষ্ট।’ শেষ ফল এই দাঁড়াল যে, ছেলেরা তাকে অবজ্ঞা করে তাঁর কথা নেহাতই অগ্র্যাহ্য করতে লাগল। তাঁর বুঝে নীল যে, শেষ পরিণাম তো গালি ও প্রহার। এই স্ত্রীর ব্যাপারে আমার ভূমিকা কি হতে পারে? এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে দ্বীনের নির্দেশ কি? যাতে সে উপদেশ গ্রহণ করতে পারে। আমি কি তাকে তালাক দিয়ে দুরে সরে যাব এবং সন্তানরা তাঁর সঙ্গে থাকবে? অথবা আমি কি করব?
এক মহিলার অভ্যাস যে, সে তাঁর সন্তানদেরকে অভিশাপ ও গালিমন্দ করে থাকে। কখনো বা তাদেরকে প্রত্যেক ছোট বড় দোষে কথা দ্বারা, কখনো বা প্রহার করে কষ্ট দেয়। এই অভ্যাস থেকে ফিরে আসতে আমি তাকে একাধিকবার উপদেশ দিয়েছি। কিন্তু সে উত্তরে বলেছে, ‘তুমিই ওদের স্পর্ধা বাড়ালে অথচ ওরা কত দুষ্ট।’ শেষ ফল এই দাঁড়াল যে, ছেলেরা তাকে অবজ্ঞা করে তাঁর কথা নেহাতই অগ্র্যাহ্য করতে লাগল। তাঁর বুঝে নীল যে, শেষ পরিণাম তো গালি ও প্রহার। এই স্ত্রীর ব্যাপারে আমার ভূমিকা কি হতে পারে? এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে দ্বীনের নির্দেশ কি? যাতে সে উপদেশ গ্রহণ করতে পারে। আমি কি তাকে তালাক দিয়ে দুরে সরে যাব এবং সন্তানরা তাঁর সঙ্গে থাকবে? অথবা আমি কি করব?
হাদিসে আছে, “যদি কোন ব্যক্তি নিজ স্ত্রীকে বিছানায় ডাকে এবং সে না আসে, অতঃপর সে (স্বামী) রাগাম্বিত অবস্থায় রাত কাটায়, তাহলে ফিরিশতাগণ তাকে সকাল অবধি অভিশম্পাত করতে থাকেন।” কিন্তু বাসায় পানি না থাকার ফলে ফজরের নামাজ নষ্ট হওয়ার ভয়ে যদি আমি মিলনে রাজি না হই, তাহলে তাতেও কি আমি অভিশপ্তা হব?
হাদিসে আছে, “যদি কোন ব্যক্তি নিজ স্ত্রীকে বিছানায় ডাকে এবং সে না আসে, অতঃপর সে (স্বামী) রাগাম্বিত অবস্থায় রাত কাটায়, তাহলে ফিরিশতাগণ তাকে সকাল অবধি অভিশম্পাত করতে থাকেন।” কিন্তু বাসায় পানি না থাকার ফলে ফজরের নামাজ নষ্ট হওয়ার ভয়ে যদি আমি মিলনে রাজি না হই, তাহলে তাতেও কি আমি অভিশপ্তা হব?
শুনেছি মাসিক অবস্থায় সহবাস করলে এক দীনার (সওয়া চার গ্রাম পরিমাণ স্বর্ণ অথবা তার মূল্য, না পারলে এর অর্ধ পরিমাণ অর্থ) সদকাহ করে কাফফারা দিতে হবে। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ প্রভৃতি, আদাবুয যিফাফ ১২২ পৃঃ) কিন্তু স্ত্রী যদি সেই সময় মিলনে এমনভাবে উত্তেজিত করে, যাতে স্বামী তা দমন করতে না পেরে মিলন করে ফেলে, তাহলে কাফফারা কাকে দিতে হবে?
শুনেছি মাসিক অবস্থায় সহবাস করলে এক দীনার (সওয়া চার গ্রাম পরিমাণ স্বর্ণ অথবা তার মূল্য, না পারলে এর অর্ধ পরিমাণ অর্থ) সদকাহ করে কাফফারা দিতে হবে। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ প্রভৃতি, আদাবুয যিফাফ ১২২ পৃঃ) কিন্তু স্ত্রী যদি সেই সময় মিলনে এমনভাবে উত্তেজিত করে, যাতে স্বামী তা দমন করতে না পেরে মিলন করে ফেলে, তাহলে কাফফারা কাকে দিতে হবে?
হাদিসে এসেছে, “যদি তোমরা কেউ স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা করে, তখন দুআ পড়ে, তাহলে তাঁদের ভাগ্যে সন্তান এলে, শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারে না।” (বুখারী-মুসলিম) বাহ্যতঃ এ নির্দেশ স্বামীকে দেয়া হয়েছে। প্রশ্ন হল, স্ত্রীর জন্যও কি দুআ পড়া বিধেয়?
হাদিসে এসেছে, “যদি তোমরা কেউ স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা করে, তখন দুআ পড়ে, তাহলে তাঁদের ভাগ্যে সন্তান এলে, শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারে না।” (বুখারী-মুসলিম) বাহ্যতঃ এ নির্দেশ স্বামীকে দেয়া হয়েছে। প্রশ্ন হল, স্ত্রীর জন্যও কি দুআ পড়া বিধেয়?
আমার তিনটি মেয়ে, কোন ছেলে নেই। শুনেছি, আমার মৃত্যুর পর আমার মেয়ের দুইয়ের তিন ভাগ সম্পত্তি পাবে এবং বাকী পাবে আমার ভাই। অথচ সে আমার ভাই হলেও, সে আমার দুশমন। আমি চাই না, সে আমার কোন সম্পত্তি পাক। এখন কি আমি আমার সব সম্পত্তি আমার মেয়েদের নামে লিখে দিতে পারি?
আমার তিনটি মেয়ে, কোন ছেলে নেই। শুনেছি, আমার মৃত্যুর পর আমার মেয়ের দুইয়ের তিন ভাগ সম্পত্তি পাবে এবং বাকী পাবে আমার ভাই। অথচ সে আমার ভাই হলেও, সে আমার দুশমন। আমি চাই না, সে আমার কোন সম্পত্তি পাক। এখন কি আমি আমার সব সম্পত্তি আমার মেয়েদের নামে লিখে দিতে পারি?
আমি বৃদ্ধ মানুষ। আমার ভয় হয়, আমার মৃত্যুর পর জমি সম্পত্তি নিয়ে ছেলেরা ঝগড়া ঝামেলা করবে। সুতরাং আমি কি এখন আমার স্থাবর অস্থাবর সকল অর্থ সম্পত্তি মীরাসের ভাগ বণ্ঠন অনুযায়ী প্রতেকের নামে লিখে দিতে পারি?
আমি বৃদ্ধ মানুষ। আমার ভয় হয়, আমার মৃত্যুর পর জমি সম্পত্তি নিয়ে ছেলেরা ঝগড়া ঝামেলা করবে। সুতরাং আমি কি এখন আমার স্থাবর অস্থাবর সকল অর্থ সম্পত্তি মীরাসের ভাগ বণ্ঠন অনুযায়ী প্রতেকের নামে লিখে দিতে পারি?
ইদ্দত যদি মহিলার গর্ভে সন্তান আছে কি না, তা দেখার জন্য হয়, তাহলে স্বামী ছেড়ে এক দেড় বছর মায়ের বাড়িতে থাকার পর যে মহিলাকে স্বামী তালাক দেয়, তাঁকেও কি অতিরিক্ত তিন মাসিক অথবা মাসিক না হলে তিন মাস ইদ্দত পালন করতে হবে?
ইদ্দত যদি মহিলার গর্ভে সন্তান আছে কি না, তা দেখার জন্য হয়, তাহলে স্বামী ছেড়ে এক দেড় বছর মায়ের বাড়িতে থাকার পর যে মহিলাকে স্বামী তালাক দেয়, তাঁকেও কি অতিরিক্ত তিন মাসিক অথবা মাসিক না হলে তিন মাস ইদ্দত পালন করতে হবে?
আমার স্বামী আমাকে ভালবাসে না। কথায় কথায় আমাকে গালাগালি করে, মারধরও করে। ছেলেমেয়ে এবং নিকট ও দুরের মানুষের কাছে আমাকে অপমানিতা করে। কিন্তু সে আবার নামাযও পড়ে। সুখ শান্তির জন্য আমি এখন কি করতে পারি?
আমার স্বামী আমাকে ভালবাসে না। কথায় কথায় আমাকে গালাগালি করে, মারধরও করে। ছেলেমেয়ে এবং নিকট ও দুরের মানুষের কাছে আমাকে অপমানিতা করে। কিন্তু সে আবার নামাযও পড়ে। সুখ শান্তির জন্য আমি এখন কি করতে পারি?
মা বাপের পছন্দমতো বিয়ে করা কি ছেলের জন্য জরুরী? মা বাপ যখন নিজেদের কোন আত্মীয় বন্ধুর মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায়, অথবা বেশি পণদাতা ঘরের মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায়, অথচ ছেলের পছন্দ না হয়, তাহলে কি তাদের বাধ্য হয়ে সেই বিয়ে করা জরুরী? দ্বীনদার মেয়ে যদি বাপ মা পছন্দ না করে, তাহলে ছেলে কী করতে পারে?
মা বাপের পছন্দমতো বিয়ে করা কি ছেলের জন্য জরুরী? মা বাপ যখন নিজেদের কোন আত্মীয় বন্ধুর মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায়, অথবা বেশি পণদাতা ঘরের মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায়, অথচ ছেলের পছন্দ না হয়, তাহলে কি তাদের বাধ্য হয়ে সেই বিয়ে করা জরুরী? দ্বীনদার মেয়ে যদি বাপ মা পছন্দ না করে, তাহলে ছেলে কী করতে পারে?
আমি বিবাহের বয়স উত্তীর্ণ একজন ধনী ও রোগী মহিলা। আমি একজন সুপুরুষকে বিবাহ করে কেবল স্ত্রীর মর্যাদা পেতে চাই। আমি আমার পৈত্রিক বাড়িতেই থাকতে চাই। আমি তার নিকট কোন প্রকার খোরপোশ দাবী করব না। সে কেবল মাঝে মাঝে আমার সাথে সাক্ষাৎ করে যাবে। তার প্রথম স্ত্রী আছে। সে তার ঐ স্ত্রীর কাছে আমার কথা গোপন রাখবে। সে রাজী, আমি রাজী, আমার অভিভাবক ও রাজী। এমন বিবাহে কোন সমস্যা আছে কি?
আমি বিবাহের বয়স উত্তীর্ণ একজন ধনী ও রোগী মহিলা। আমি একজন সুপুরুষকে বিবাহ করে কেবল স্ত্রীর মর্যাদা পেতে চাই। আমি আমার পৈত্রিক বাড়িতেই থাকতে চাই। আমি তার নিকট কোন প্রকার খোরপোশ দাবী করব না। সে কেবল মাঝে মাঝে আমার সাথে সাক্ষাৎ করে যাবে। তার প্রথম স্ত্রী আছে। সে তার ঐ স্ত্রীর কাছে আমার কথা গোপন রাখবে। সে রাজী, আমি রাজী, আমার অভিভাবক ও রাজী। এমন বিবাহে কোন সমস্যা আছে কি?
স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার বাসা থেকে বের হওয়া স্ত্রীর জন্য বৈধ নয়। কিন্তু অনেক সময় সে বাড়িতে না থাকলে পাশের বাসা অথবা কাছের মার্কেটে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তখন কি তার বিনা অনুমতিতে গেলে গোনাহ হবে?
স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার বাসা থেকে বের হওয়া স্ত্রীর জন্য বৈধ নয়। কিন্তু অনেক সময় সে বাড়িতে না থাকলে পাশের বাসা অথবা কাছের মার্কেটে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তখন কি তার বিনা অনুমতিতে গেলে গোনাহ হবে?
তওয়াফ চত্বরে কোন কোন জামাআতের দেখা যায়, তারা তাদের মহিলাদেরকে পরপুরুষের দেহ স্পর্শ থেকে বাঁচাতে হাতে হাত দিয়ে ঘিরে রাখে। ফলে তাদের কারো কারো বুক বা পিঠ কাবার দিকে হয়। তাদের তওয়াফ কি শুদ্ধ হবে?
তওয়াফ চত্বরে কোন কোন জামাআতের দেখা যায়, তারা তাদের মহিলাদেরকে পরপুরুষের দেহ স্পর্শ থেকে বাঁচাতে হাতে হাত দিয়ে ঘিরে রাখে। ফলে তাদের কারো কারো বুক বা পিঠ কাবার দিকে হয়। তাদের তওয়াফ কি শুদ্ধ হবে?
আমরা সঊদি আরবে অল্প বেতনে কাজ করি। হজ্জ করার মত টাকা জমাতে পারি না। ইসলামিক দাওয়াত সেন্টারের সহযোগিতায় আমরা হজ্জ করেছি। পরবর্তীতে নিজে হজ্জ করার মতো সামর্থ্য হয়েছে। এখন আমাদের হজ্জের ফরয আদায় হয়ে গেছে, নাকি দ্বিতীয়বার নিজের টাকায় হজ্জ করতে হবে?
আমরা সঊদি আরবে অল্প বেতনে কাজ করি। হজ্জ করার মত টাকা জমাতে পারি না। ইসলামিক দাওয়াত সেন্টারের সহযোগিতায় আমরা হজ্জ করেছি। পরবর্তীতে নিজে হজ্জ করার মতো সামর্থ্য হয়েছে। এখন আমাদের হজ্জের ফরয আদায় হয়ে গেছে, নাকি দ্বিতীয়বার নিজের টাকায় হজ্জ করতে হবে?
বিদায়ী তওয়াফ করার আগে মহিলার মাসিক শুরু হয়েছে। কেউ কেউ দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওদিকে সফর সঙ্গীরা যথাসময়ে বিদায় নিচ্ছে। তাহলে মহিলা ও অসুস্থ ব্যক্তি বিদায়ী তওয়াফ না করতে পারলে কি দম লাগবে?
বিদায়ী তওয়াফ করার আগে মহিলার মাসিক শুরু হয়েছে। কেউ কেউ দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওদিকে সফর সঙ্গীরা যথাসময়ে বিদায় নিচ্ছে। তাহলে মহিলা ও অসুস্থ ব্যক্তি বিদায়ী তওয়াফ না করতে পারলে কি দম লাগবে?
ভেবেছিলাম কুরবানী দিতে পারব না। তাই তাশরীকের দিনগুলিতে রোযা রাখলাম। কিন্তু ১৩ তারিখের রাত্রে মনে হল, আমার কাছে যে টাকা আছে, তাঁতে কুরবানী দেওয়া যেতো। তাছাড়া বাড়ী ফিরে ৭ টি রোযা রাখাও কঠিন। সুতরাং ১৪ তারিখের রাতে বা দিনে কুরবানী দিলে কি তা যথেষ্ট হবে?
ভেবেছিলাম কুরবানী দিতে পারব না। তাই তাশরীকের দিনগুলিতে রোযা রাখলাম। কিন্তু ১৩ তারিখের রাত্রে মনে হল, আমার কাছে যে টাকা আছে, তাঁতে কুরবানী দেওয়া যেতো। তাছাড়া বাড়ী ফিরে ৭ টি রোযা রাখাও কঠিন। সুতরাং ১৪ তারিখের রাতে বা দিনে কুরবানী দিলে কি তা যথেষ্ট হবে?
আমি এক ধনী মহিলা। আমার উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। কিন্তু আমার স্বামী সাথে যেতে রাজী নয়, আমাকে কারো সঙ্গে ছাড়তেও রাজী নয়। এ বছরে আমার বড় ভাই হজ্জে যাচ্ছেন। আমি কি তাঁর সাথে স্বামীর তোয়াক্কা না করে হজ্জ করতে পারি? নাকি স্বামীর অনুমতি জরুরী?
আমি এক ধনী মহিলা। আমার উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। কিন্তু আমার স্বামী সাথে যেতে রাজী নয়, আমাকে কারো সঙ্গে ছাড়তেও রাজী নয়। এ বছরে আমার বড় ভাই হজ্জে যাচ্ছেন। আমি কি তাঁর সাথে স্বামীর তোয়াক্কা না করে হজ্জ করতে পারি? নাকি স্বামীর অনুমতি জরুরী?
এক মহিলা উমরাহ আদায়ে একাকিনী যেতে চায়। তাঁর এগানা আত্মীয় রিয়াদ এয়ারপোর্টে প্লেনে উঠিয়ে দিয়ে আসে এবং অন্য এগানা আত্মীয় জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে তাকে উমরাহ করিয়ে অনুরূপ বাড়ী ফিরিয়ে দিলে তাতে কোন সমস্যা আছে কি?
এক মহিলা উমরাহ আদায়ে একাকিনী যেতে চায়। তাঁর এগানা আত্মীয় রিয়াদ এয়ারপোর্টে প্লেনে উঠিয়ে দিয়ে আসে এবং অন্য এগানা আত্মীয় জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে তাকে উমরাহ করিয়ে অনুরূপ বাড়ী ফিরিয়ে দিলে তাতে কোন সমস্যা আছে কি?
এগারো মাসে নামায পড়ে না। রমযান এলে রোযা রাখে ও নামায পড়ে। এমন লোকের রোযা কবুল হবে কি? রোযার উপর নামাযের প্রভাব আছে কি? তাঁরা রোযা রেখে (জান্নাতের) ‘রাইয়ান’ গেটে প্রবেশকারীদের সঙ্গে প্রবেশ করবে না কি? ‘এক রমযান থেকে ওপর রমযান মধ্যবর্তী সকল গোনাহকে মোচন করে দেয়।’—এ কথা ঠিক নয় কি?
এগারো মাসে নামায পড়ে না। রমযান এলে রোযা রাখে ও নামায পড়ে। এমন লোকের রোযা কবুল হবে কি? রোযার উপর নামাযের প্রভাব আছে কি? তাঁরা রোযা রেখে (জান্নাতের) ‘রাইয়ান’ গেটে প্রবেশকারীদের সঙ্গে প্রবেশ করবে না কি? ‘এক রমযান থেকে ওপর রমযান মধ্যবর্তী সকল গোনাহকে মোচন করে দেয়।’—এ কথা ঠিক নয় কি?
কর্মক্ষেত্রে পানি নেই। বাসায় পানি আছে। নামাযের ওয়াক্ত যাওয়ার আগে বাসায় পৌঁছে যাবে। নামাযের সময় হলে তায়াম্মুম করে আওয়াল ওয়াক্তে নামায পরে নেবে, নাকি বাসায় ফিরে শেষ ওয়াক্তে উযূ করে নামায পড়ব?
কর্মক্ষেত্রে পানি নেই। বাসায় পানি আছে। নামাযের ওয়াক্ত যাওয়ার আগে বাসায় পৌঁছে যাবে। নামাযের সময় হলে তায়াম্মুম করে আওয়াল ওয়াক্তে নামায পরে নেবে, নাকি বাসায় ফিরে শেষ ওয়াক্তে উযূ করে নামায পড়ব?
কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?
কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?
জামাআত চলাকালে ইমাম রুকূ অবস্থায় থাকলে অনেক নামাযী বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে রুকুতে দেরি করতে বলে। যাতে সে রুকু বা রাকআত পেয়ে যায়। কেউ দৌড়ে আসে, কেউ সজোরে পদক্ষেপ করে, কেউ গলা-সাড়া দেয়, কেউ ‘ইন্নাল্লাহা মা’আস স্বাবেরীন’ বলে। শরীয়তের দৃস্টিতে এমন কাজ বৈধ কি?
জামাআত চলাকালে ইমাম রুকূ অবস্থায় থাকলে অনেক নামাযী বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে রুকুতে দেরি করতে বলে। যাতে সে রুকু বা রাকআত পেয়ে যায়। কেউ দৌড়ে আসে, কেউ সজোরে পদক্ষেপ করে, কেউ গলা-সাড়া দেয়, কেউ ‘ইন্নাল্লাহা মা’আস স্বাবেরীন’ বলে। শরীয়তের দৃস্টিতে এমন কাজ বৈধ কি?
মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদ ছেড়ে অন্য মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদে জুমআহ বা তারাবীহ ইত্যাদি নামায পড়তে যাওয়া বৈধ কি? তাতে উদ্দেশ্য থাকে ভাল খতীবের ভাল বক্তব্য শোনা এবং সুমধুর কণ্ঠবিশিষ্ট ক্বারি ইমামের কুরআন শুনে উপকৃত হওয়া। সাইকেল বা গাড়িযোগে গেলে কি তা হাদিসে বর্ণিত নিষেধের আওতায় পড়ে, যাতে বলা হয়েছে, “তিন মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সফর করা যাবে না; মদিনা শরীফের মসজিদে নববী, মাসজিদুল হারাম (কা’বা শরীফ) ও মসজিদে আকসা (প্যালেষ্টাইনের জেরুজালেমের মসজিদ)।” ১৬১ (বুখারী ১৯৯৫, মুসলিম ১৩৯৭ নং)
মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদ ছেড়ে অন্য মহল্লা বা গ্রাম এর মসজিদে জুমআহ বা তারাবীহ ইত্যাদি নামায পড়তে যাওয়া বৈধ কি? তাতে উদ্দেশ্য থাকে ভাল খতীবের ভাল বক্তব্য শোনা এবং সুমধুর কণ্ঠবিশিষ্ট ক্বারি ইমামের কুরআন শুনে উপকৃত হওয়া। সাইকেল বা গাড়িযোগে গেলে কি তা হাদিসে বর্ণিত নিষেধের আওতায় পড়ে, যাতে বলা হয়েছে, “তিন মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সফর করা যাবে না; মদিনা শরীফের মসজিদে নববী, মাসজিদুল হারাম (কা’বা শরীফ) ও মসজিদে আকসা (প্যালেষ্টাইনের জেরুজালেমের মসজিদ)।” ১৬১ (বুখারী ১৯৯৫, মুসলিম ১৩৯৭ নং)
আমার রাত্রে শুতে দেরি হয়। ডিউটি শুরু হয় সকাল সাতটা থেকে। ফজর হয় চারটায়। ফজরের সময় উঠে জামায়াতে নামায পড়লে এবং তারপর শুলে আর ঘুম হয় না। সুতরাং আমি যদি ডিউটি শুরুর এক ঘণ্টা আগে এলার্ম লাগিয়ে শুই এবং ডিউটিতে যাবার আগে ফজরের নামাযটা পরে নেই, তাহলে কি যথেষ্ট হবে না?
আমার রাত্রে শুতে দেরি হয়। ডিউটি শুরু হয় সকাল সাতটা থেকে। ফজর হয় চারটায়। ফজরের সময় উঠে জামায়াতে নামায পড়লে এবং তারপর শুলে আর ঘুম হয় না। সুতরাং আমি যদি ডিউটি শুরুর এক ঘণ্টা আগে এলার্ম লাগিয়ে শুই এবং ডিউটিতে যাবার আগে ফজরের নামাযটা পরে নেই, তাহলে কি যথেষ্ট হবে না?