শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / Top 10 / কাউকে সাপ-বিচ্ছু কামড় দিলে বা অন্য কোন কারণে আহত হলে

কাউকে সাপ-বিচ্ছু কামড় দিলে বা অন্য কোন কারণে আহত হলে

কাউকে সাপবিচ্ছু কামড় দিলে বা অন্য কোন কারণে আহত হলে কিংবা ব্যথা অনুভব হলে তিনি এই বলে ঝাড়-ফুঁক করতেন-

بِسْمِ اللهِ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا

‘‘আল্লাহর নামের বরকতে আমাদের যমীনের মাটি কারও থুথুর সাথে মিশানো হচ্ছে, আমাদের রবের হুকুমে আমাদের রোগী ভাল হয়ে যাবে’’।[1] এটি হচ্ছে বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনা। এই বর্ণনার মাধ্যমে সত্তর হাজারের হাদীছে ولايرقون শব্দটি তথা ঝাড়-ফুঁক না করার যে কথা বর্ণিত হয়েছে তা ভুল প্রমাণিত হল। এখানে রাবী ভুল করেছেন।[2]

 রোগী দেখতে যাওয়ার জন্য তিনি কোন সময় বা দিন নির্ধারণ করে দেন নি। বরং প্রয়োজন অনুযায়ী দিনের বা রাতের যে কোন সময় রোগীর কাছে যাওয়া বৈধ।

কারও চোখে বা শরীরের অন্য কোন অঙ্গে সামান্য সমস্যা হলেও তিনি তাকে দেখতে যেতেন। কখনও তিনি রোগীর কপালে হাত রাখতেন। অতঃপর তার বক্ষদেশ ও পেট মাসাহ করতেন আর বলতেন- اللهم اشْفِهِ ‘‘হে আল্লাহ্! তুমি তাকে সুস্থ কর’’।[3] তিনি রোগীর চেহারাতেও হাত বুলাতেন। কোন রোগীর ব্যাপারে তিনি যদি নিশ্চিত হতেন যে, সে আর বাঁচবে না, তাহলে কুরআনের এই আয়াতটি পাঠ করতেন-

إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ

‘‘নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো’’। (সূরা বাকারা-২:  ১৫৬)