শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নোত্তর

আল্লাহ কি সৃষ্টিকে মৃত্যুর পর আবার জীবিত করবেন? এবং তাদের ভাল-মন্দ আমলের হিসাব গ্রহণ করবেন? তার আনুগত্যকারীকে কি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন? আর যে ব্যক্তি তার সাথে কুফরী করবে এবং তার সাথে অন্যকে অংশিদার করবে সে কি জাহান্নামে যাবে?
আল্লাহ কি সৃষ্টিকে মৃত্যুর পর আবার জীবিত করবেন? এবং তাদের ভাল-মন্দ আমলের হিসাব গ্রহণ করবেন? তার আনুগত্যকারীকে কি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন? আর যে ব্যক্তি তার সাথে কুফরী করবে এবং তার সাথে অন্যকে অংশিদার করবে সে কি জাহান্নামে যাবে?
ওমর (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) তারাবীহ্‌র ছালাত সম্পর্কে বলেছেন, «نِعْمَتِ الْبِدْعَةُ هَذِهِ» ‘এটি উত্তম বিদ‘আত’। আর উসমান (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু)-এর খেলাফতকালে জুম‘আর দ্বিতীয় আযান চালু হয়। এক্ষণে প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে উক্ত বিষয় দু’টির ব্যাখ্যা কি?
ওমর (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) তারাবীহ্‌র ছালাত সম্পর্কে বলেছেন, «نِعْمَتِ الْبِدْعَةُ هَذِهِ» ‘এটি উত্তম বিদ‘আত’। আর উসমান (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু)-এর খেলাফতকালে জুম‘আর দ্বিতীয় আযান চালু হয়। এক্ষণে প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে উক্ত বিষয় দু’টির ব্যাখ্যা কি?
আল্লাহ বলেন, ﴿وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ﴾ ‘আর যারা আল্লাহ্‌র রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা তাদের পালনকর্তার নিকট জীবিত এবং রিযিক্বপ্রাপ্ত’ (আলে ইমরান ১৬৯)। উক্ত আয়াতে বর্ণিত ‘আহ্‌ইয়া’ (أَحْيَاءٌ) শব্দের অর্থ কি?
আল্লাহ বলেন, ﴿وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ﴾ ‘আর যারা আল্লাহ্‌র রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা তাদের পালনকর্তার নিকট জীবিত এবং রিযিক্বপ্রাপ্ত’ (আলে ইমরান ১৬৯)। উক্ত আয়াতে বর্ণিত ‘আহ্‌ইয়া’ (أَحْيَاءٌ) শব্দের অর্থ কি?
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ﴾ ‘মনে রেখো, যারা আল্লাহ্‌র অলী, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না’ (ইউনুস ৬২)। উক্ত আয়াত কি অলী-আউলিয়াদের নিকট প্রার্থনা করার বৈধতা নির্দেশ করে?
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ﴾ ‘মনে রেখো, যারা আল্লাহ্‌র অলী, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না’ (ইউনুস ৬২)। উক্ত আয়াত কি অলী-আউলিয়াদের নিকট প্রার্থনা করার বৈধতা নির্দেশ করে?