শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / Top 10 / বদ নযর থেকে বাঁচার একাধিক উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে।

বদ নযর থেকে বাঁচার একাধিক উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে।

  • ما شاء الله لا قُوَّة إلا بالله পাঠ করা। হিশাম বিন উরওয়া বর্ণনা করেন যে, তার পিতা যখন তার কোন ঘরে প্রবেশ করতেন কিংবা মুগ্ধকর কোন জিনিষ দেখতেন, তখন ‘মাশা-আল্লাহ্ লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠ করতেন’।
  • ঝাড়-ফুঁকের সেই দু’আ পাঠ করা, যা দিয়ে জিবরীল (আঃ) নাবী (সাঃ)কে ঝাড়-ফুক করেছিলেন। জিবরীল (আঃ) নাবী (সাঃ)কে এই দু’আর মাধ্যমে ঝাড়তেন,

بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اللهُ يَشْفِيكَ بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ

  • ‘‘আমি আপনাকে আল্লাহর নামে ঝাড়-ফুঁক করছি প্রতিটি এমন জিনিষ হতে, যা আপনাকে কষ্ট দেয় এবং প্রত্যেক জীবের অমঙ্গল হতে ও হিংসুকের বদনযর হতে আল্লাহ আপনাকে আরেস্যূ দান করবেন। আমি আপনাকে আল্লাহর নামে ঝাড়-ফুঁক করছি।’’[1]
  • বদনযরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি রোগীকে পান করানো পূর্ব যুগের আলেমদের এক জামআত হতে জায়েয হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন- কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে রোগীকে পান করালে কোন দোষ নেই। আবু কিলাবা হতে এ রকমই বর্ণিত হয়েছে। ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করা হয় যে, একজন মহিলার প্রসব কষ্ট হওয়াতে তিনি কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে তা পান করানোর আদেশ দিয়েছেন। আইয়্যুব (রহঃ) বলেন- আমি আবু কিলাবাকে দেখেছি যে, তিনি একটি কাগজে কুরআনের আয়াত লিখে তা পানি দ্বারা ধৌত করেছেন। অতঃপর সেই পানি একজন রোগীকে পান করিয়েছেন।

 

যার বদনযর লাগছে বলে সন্দেহ করা হয়, তার অঙ্গসমূহ ধৌত করিয়ে সেই পানি রোগীর শরীরে ঢালতে হবে। যেমনভাবে নাবী (সাঃ) আমের বিন রাবীআকে গোসল করতে বলেছিলেন। সন্দেহ যুক্ত ব্যক্তির পেশাব-পায়খানা বা অন্য কোন কিছু দিয়ে চিকিৎসা করার কোন দলীল নেই। অনুরূপভাবে  তার উচ্ছিষ্ট বা ওযূর পানি ইত্যাদি ব্যবহার করাও ভিত্তিহীন। হাদীছে যা পাওয়া যায় তা হল তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং লুঙ্গির নিচের অংশ ধৌত করা এবং সম্ভবতঃ মাথার টুপি, পাগড়ী বা পরিধেয় কাপড়ের নিচের অংশ ধৌত করা এবং তা ব্যবহার  করাও বৈধতার অন্তর্ভুক্ত হবে।দাউদে বর্ণিত আবু দারদা (রাঃ) এর হাদীস উল্লেখ করেছেন। আবু দারদা বলেন- আমি রসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ বা কারও কোন ভাই রোগে আক্রান্ত হলে সে যেন বলে-

رَبُّنَا اللهُ الَّذِى فِى السَّمَاءِ تَقَدَّسَ اسْمُكَ أَمْرُكَ فِى السَّمَاءِ وَالأَرْضِ كَمَا رَحْمَتُكَ فِى السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْمَتَكَ فِى الأَرْضِ اغْفِرْ لَنَا حُوبَنَا وَخَطَايَانَا أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِينَ أَنْزِلْ رَحْمَةً مِنْ رَحْمَتِكَ وَشِفَاءً مِنْ شِفَائِكَ عَلَى هَذَا الْوَجَعِ

‘‘হে আমাদের প্রভু! যিনি আকাশে আছেন। তোমার নাম পবিত্র। তোমার হুকুম আসমানে ও যমীনে। আসমানে যেমন তোমার রহমত তেমনি যমীনে তোমার রহমত নাযিল কর। আমাদের গুনাহ ও ভুল-ত্রুটিসমূহ ক্ষমা কর। তুমি পবিত্রদের প্রতিপালক। তোমার নিকট হতে রহমত নাযিল কর এবং তোমার ‘শিফা’ হতে ‘শিফা’ নাযিল কর। নাবী (সাঃ) বলেন- যে এই দু’আ পাঠ করবে, আল্লাহর অনুমতিতে সে সুস্থ হবে ইনশা-আল্লাহ্।[2]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *