শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / Top 10 / “হজরত মুসা (আঃ) ফিরআঊনকে দাওয়াত দেয়ার পরে ফেরাঊনের জবাবের সার-সংক্ষেপ কুরআনে”

“হজরত মুসা (আঃ) ফিরআঊনকে দাওয়াত দেয়ার পরে ফেরাঊনের জবাবের সার-সংক্ষেপ কুরআনে”


====================================
👉(১) অদৃশ্য পালনকর্তা আল্লাহ্কে অস্বীকার করে দৃশ্যমান পালনকর্তা হিসাবে নিজেকেই সর্বোচ্চ পালনকর্তা বলে দাবী করা (নাযে‘আত ৭৯/২৪)।
*
👉(২) শৈশবে লালন-পালনের দোহাই পেড়ে তাকে পালনকর্তা বলে স্বীকার না করায় উল্টা মূসাকেই ‘কাফির’ বা কৃতঘ্ন বলে আখ্যায়িত করা (শো‘আরা ২৬/১৯)।
*
👉(৩) পূর্ব পুরুষের কারু কাছে এমন কথা না শোনার বাহানা পেশ করা (ক্বাছাছ ২৮/৩৬)।
*
👉(৪) আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার কথা অস্বীকার করা (ক্বাছাছ ২৮/৩৮)।
*
👉(৫) পরকালকে অস্বীকার করা (ক্বাছাছ ২৮/৩৭)।
*
👉(৬) মূসাকে কারাগারে নিক্ষেপ করার ও হত্যার হুমকি প্রদান করা (শো‘আরা ২৬/২৯; মুমিন/গাফির ৪০/২৬)।
*
👉(৭) নবুঅতের মু‘জেযাকে অস্বীকার করা এবং একে জাদু বলে অভিহিত করা (ক্বাছাছ ২৮/৩৬)।
*
👉(৮) মূসার নিঃস্বার্থ দাওয়াতকে রাজনৈতিক স্বার্থ প্রণোদিত বলে অপবাদ দেওয়া (আ‘রাফ ৭/১১০; ত্বোয়াহা ২০/৬৩)।
*
👉(৯) নিজের কথিত ধর্ম রক্ষা ও নিজেদের রচিত বিধি-বিধান সমূহ রক্ষার দোহাই দিয়ে মূসার বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলা (মুমিন/গাফির ৪০/২৬; ত্বোয়াহা ২০/৬৩)।
*
👉(১০) মূসাকে দেশে ফেৎনা সৃষ্টিকারী বলে দোষারোপ করা (মুমিন/গাফির ৪০/২৬)।
🎆
#বস্ত্ততঃ এই ধরনের অপবাদসমূহ যুগে যুগে প্রায় সকল নবীকে ও তাঁদের অনুসারী সমাজ সংস্কারক গণকে দেওয়া হয়েছে এবং আজও দেওয়া হচ্ছে। আল্লাহ্ সবাইকে হিদায়েত নসিব করুন। আমিন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *