শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / Top 10 / ২৭ নং কবীরা গুনাহ

২৭ নং কবীরা গুনাহ

২৭ নং কবীরা গুনাহ


المكاس
চাদাবাজী ওঅন্যায় টোল আদায়

বাস্তবিক পক্ষে এটি এক ধরনের ডাকাতি, কারণ এতে মানুষের উপর এক ধরনের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়। চাঁদা উসূলকারী, লেখক এবং গ্রহণকারী গুনাহের মধ্যে সমানভাবে শামিল। এরা সবাই হারাম ভক্ষণকারী চাদাবাজ মূলত যুলুমের বড় সহযোগি শুধু তাই নয় বরং সে জুলুমকারী ও অত্যাচারী।
আল্লাহ বলেন-
إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَظْلِمُونَ النَّاسَ وَيَبْغُونَ فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ. (الشورى: ৪২)
‘‘ব্যবস্থা নেয়া হবে শুধূ তাদের বিরুদ্ধে যারা মানুষের উপর অত্যাচার চালায় এবং পৃথিবীতে অন্যায় ভাবে বিদ্রোহ করে করে বেড়ায়। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনা দায়ক শাস্তি।’’ ( সূরা আশ-শুরা : ৪২)
নবী করীম এরশাদ করেন-
أتدرون من المفلس ؟ إن المفلس من أمتي من يأتي يوم القيامة بصلاة وصيام وزكاة ويأتي وقد شتم هذا وقذف هذا وأكل مال هذا وسفك دم هذا وضرب هذا فيعطي هذا من حسناته وهذا من حسناته فان فنيت حسناته قبل أن يقضى ما عليه أخذ من خطايا هم فطرحت عليه ثم طرح في النار. (رواه مسلم:৭৬৮৬)
তোমরা কি জান প্রকৃত দরিদ্র কে আমার উম্মতের মধ্যে? প্রকৃত দরিদ্র ঐ ব্যক্তি, যে কেয়ামতের দিন অনেক সালাত, সওম, যাকাত, নিয়ে উপস্থিত হবে। তবে সে দুনিয়াতে কাউকে হত্যা করেছে, মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, করেছে, কাউকে গাল-মন্দ করেছে, কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কাউকে মেরেছে অথবা কাউকে প্রহার করেছে । কেয়ামাতের দিন এ ব্যক্তির নেক আমল বা ছওয়াব তাদের (তার দ্বারা যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে) দেয়া হবে। যদি তার নেক আমলের ছওয়াব পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধ করার পূর্বেই শেষ হয়ে যায় তাখন তাদের গুনাহগুলোকে তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে এবং তার পর তাকের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে ।’’ (মুসলিম:৭৬৮৬)

Check Also

মুসিবত নাযিল হলে যে ব্যক্তি অসন্তুষ্ট হয়, তার হুকুম কি?

বালা-মুসিবত নাযিল হওয়ার সময় মানুষ চার স্তরে বিভক্ত হয়ে যায়। যথাঃ- প্রথম স্তরঃ অসন’ষ প্রকাশ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *