শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / ঈমান ও আক্বীদাহ

ঈমান ও আক্বীদাহ

আল্লাহর যেই বান্দা সর্বোত্তম জিহাদ করেছেন

সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ) ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু ...

Read More »

যালেম, পাপী ও বিদআতীদের সাথে জিহাদ

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে। উপরের আলোচনা থেকে আমরা জিহাদের সর্বমোট ১৩টি স্তর খুঁজে পাচ্ছি। নাবী (সাঃ) বলেন- ...

Read More »

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদ

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

Read More »

শয়তানের সাথে জিহাদ

শয়তানের সাথে জিহাদের দু’টি স্তর রয়েছে। (১) ঈমান নষ্ট করার জন্য শয়তান যে সমস্ত সন্দেহ এবং ওয়াসওয়াসা বান্দার অন্তরে প্রবেশ করিয়ে দেয় তা প্রতিহত করার সংগ্রাম করা। (২) শয়তান মানুষের অন্তরে পাপ কাজের প্রতি যে আগ্রহ ও আসক্তি নিক্ষেপ করে তা প্রতিহত করার সংগ্রামে সদা প্রচেষ্টা চালানো। মজবুত ঈমান ও ...

Read More »

নফসের সাথে জিহাদ

নফসের সাথে জিহাদের চারটি স্তর রয়েছে। (১) ইলম, দ্বীনে হক ও হিদায়াতের তালাশের চেষ্টা করা এবং এর উপর নফসকে বাধ্য করা। কারণ দ্বীনে হকের জ্ঞান অর্জন ছাড়া সাফল্য অর্জনের কোন সুযোগ নেই। বান্দা তা অর্জনে ব্যর্থ হলে ইহকাল ও পরকালে সে হতভাগ্য হবে।  (২) বান্দা ইলম অর্জন করার পর ইলমকে ...

Read More »

জিহাদের প্রকার ও স্তরসমূহ

উপরোক্ত বিশেস্নষণের পর আমাদের জানা উচিৎ যে, জিহাদের চারটি প্রকার রয়েছে। (১) নফসের সাথে জিহাদ, (২) শয়তানের সাথে জিহাদ, (৩) কাফের ও মুনাফেকদের সাথে জিহাদ এবং (৪) জালেম, গুনাহগার ও বিদআতীদের সাথে জিহাদ।

Read More »

জিহাদ ও গাযওয়ার ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর হিদায়াত

জিহাদ যেহেতু ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া এবং জান্নাতে যেহেতু রয়েছে মুজাহিদদের সর্বোত্তম মর্যাদা ও দুনিয়াতে রয়েছে তাদের জন্য সর্বোচ্চ আসন তাই রসূল (সাঃ) ছিলেন এ বিষয়ে সর্বাধিক সফল। তিনি সকল প্রকার জিহাদেই উত্তমভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় অন্তর, জবান, দাওয়াত, বর্ণনা, তলোয়ার ও বর্শা দিয়ে যথাযথ জিহাদ করেছেন। মূলতঃ তিনি ...

Read More »

নাবী (সাঃ) যে সমস্ত কথা অপছন্দ করতেন

তিনি যে সমস্ত শব্দ ও বাক্য পছন্দ করতেন না তার অন্যতম হচ্ছে, خبثت نفسي ‘খাবুছাত নাফসী’ অর্থাৎ আমার চরিত্র নোংরা হয়ে গেছে। এর পরিবর্তে তিনি لقست نفسي ‘লাকিসাত নাফসী’ বলার উপদেশ দিয়েছেন। উভয় বাক্যের অর্থ কাছাকাছি। তা হচ্ছে অভ্যাস ও চরিত্র নষ্ট হয়ে গেছে। নাবী (সাঃ) خبثশব্দটি প্রয়োগ করা অপছন্দ করেছেন। কারণ তা কদর্যতা ও ...

Read More »

মোরগের ডাক শুনে আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া

তিনি তাঁর উম্মাতকে আদেশ দিয়েছেন যে, তারা যেন গাধার ডাক শুনে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম’ পাঠ করে এবং মোরগের ডাক শুনে যেন আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা করে। বর্ণনা করা হয় যে, তিনি আগুন লাগলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আদেশ দিয়েছেন। তাকবীর আগুনকে নিভিয়ে ফেলবে।[1] মজলিসে একত্রিত ব্যক্তিদের জন্য তিনি অপছন্দ করতেন ...

Read More »

ক্রোধান্বিত হওয়ার সময় যা করণীয়

নাবী (সাঃ) ক্রোধান্বিত ব্যক্তিকে ক্রোধের আগুন নির্বাপন করার জন্য ওযূ করার আদেশ করেছেন।[1] আর যদি ক্রোধান্বিত ব্যক্তি দাঁড়ানো অবস্থায় থাকে তাহলে তাকে বসার আদেশ দিয়েছেন। আর বসা থাকলে শয়ন করতে বলেছেন আর শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। ক্রোধ ও লোভ (নারী, সম্পদ, নের্তৃত্ব ইত্যাদির প্রতি আসক্তি ...

Read More »