শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / শির্‌ক ও বিদআত

শির্‌ক ও বিদআত

বিদাত থেকে বাঁচতে হলে যা জানা আবশ্যক

বিদ‘আত কাকে বলে এ বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। অনেকের ধারণা যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে ছিলনা তা-ই বিদ‘আত। আবার অনেকে মনে করেন বর্তমান নিয়মতান্ত্রিক মাদ্রাসা শিক্ষা পদ্ধতি একটি বিদ‘আত, মসজিদে কাতার করে নামায পড়া বিদাত, বিমানে হজ্জে যাওয়া বিদ‘আত, মাইকে আজান দেয়া বিদ‘আত ইত্যাদি। এ সকল দিক বিবেচনা করে তারা ...

Read More »

ভাষণের শুরুতে ‘দেশ ও জাতির পক্ষ থেকে বলছি’- একথাটি বলা কি ঠিক?

বক্তার উদ্দেশ্য যদি হয় যে, সে দেশ ও জাতির মুখপত্র হিসাবে কথা বলছে, তাহলে কোন অসুবিধা নেই। আর যদি বরকতের আশায় অথবা সাহায্য চাওয়ার নিয়তে কথাটি উচ্চারণ করে, তাহলে শির্কে পরিণত হবে। বক্তার অন্তরে দেশ-জাতির সম্মান যদি আল্লাহর সম্মানের মত হয় তাহলে বড় শির্কে পরিণত হতে পারি।

Read More »

(مَنْ سَنَّ فِي الْإِسْلَامِ سُنَّةً حَسَنَةً فَلَهُ أَجْرُهَا) অর্থাৎ যে ব্যক্তি ইসলামের ভিতরে উত্তম কোন সুন্নাত চালু করল, তার জন্য ছাওয়াব রয়েছে, এই হাদীছকে যে সমস্ত বিদ্‌আতী তাদের বিদ্‌আতের পক্ষে দলীল হিসাবে গ্রহণ করে, আমরা কিভাবে তাদের উত্তর দিব?

তাদের জবাবে আমরা বলব, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ مَنْ سَنَّ فِي الْإِسْلَامِ سُنَّةً حَسَنَةً فَلَهُ أَجْرُهَا وَ أَجْرُ مَنْ عَمِلَ بِهَا “যে ব্যক্তি ইসলামের ভিতরে উত্তম কোন সুন্নাত চালু করল, তার জন্য ছাওয়াব রয়েছে।” তিনি তো এও বলেছেন যে, عَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الْمَهْدِيِّينَ الرَّاشِدِينَ تَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا ...

Read More »

মসজিদে দাফন করার বিধান কি?

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে দাফন করতে এবং কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্তেও কবরকে মসজিদে পরিণতকারীদের উপর লা’নত করেছেন এবং তাঁর উম্মতকে সতর্ক করেছেন। তিনি এটাও উল্লেখ করেছেন যে, কবরকে মসজিদে পরিণত করা ইহুদী-খৃষ্টানাদের কাজ। কারণ মসজিদে দাফন করা ...

Read More »

যে ব্যক্তি কবরের চতুর্দিকে তাওয়াফ করে, কবরবাসীর কাছে দু’আ করে এবং তাদের জন্য নযর-মানত পেশসহ অন্যান্য ইবাদত করে থাকে, তার হুকুম কি?

এটি একটি বিরাট প্রশ্ন। বিস্তারিতভাবে এ প্রশ্নের উত্তর দেয়া দরকার। তাই আমরা বলব যে, কবরবাসীগণ দু’প্রকারঃ (১) যারা ইসলামের উপর মৃত্যু বরণ করেছে এবং মানুষ তাদের প্রশংসা করে থাকে, আশা করা যায় এদের পরিণতি ভাল হবে কিন্তু তারা মুসলমান ভাইয়ের দু’আর মুখাপেক্ষী। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ )رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ ...

Read More »

নবীর নামে, কাবার নামে এবং মানমর্যাদা ও জিম্মাদারীর নামে শপথ করার বিধান কি?

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে শপথ করা জায়েয নয়; বরং ইহা শির্কের অন্তর্ভুক্ত। এমনিভাবে কাবার নামে শপথ করা শির্ক। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং কাবা উভয়টিই মাখলুক। আর কোন মাখলুকের নামে শপথ করাই শির্ক। এমনিভাবে সম্মান এবং জিম্মাদারীর শপথ করাও শির্ক। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, مَنْ ...

Read More »

রিয়া বা মানুষকে দেখানো ও শুনানোর নিয়তে ইবাদত করার বিধান কি?

যে ইবাদত ‘রিয়া’ মিশ্রিত হয় তা তিনি প্রকারঃ প্রথম প্রকারঃ ইবাদত  মূলতঃ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যই করা হয়। যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ এবং মানুষের প্রশংসা পাওয়ার উদ্দেশ্য ‘সালাত’ আদায় করা। ইহা শিরক এবং এ প্রকার ইবাদত বাতিল। দ্বিতীয় প্রকারঃ ইবাদত করার মধ্যবর্তী অবস্থায় ‘রিয়ায়’ পতিত হওয়া। অর্থাৎ যেমন ইবাদত শুরুর সময় একনিষ্ঠভাবে ...

Read More »

গণক কাকে বলে? গণকের কাছে যাওয়ার বিধান কি?

গণক এমন লোককে বলা হয়, যে অনুমানের উপর নির্ভর করে ভিত্তিহীন বিষয়ের অনুসন্ধান করে থাকে। জাহেলী যামানার কিছু পেশাদার লোকের সাথে শয়তানের যোগাযোগ ছিল। শয়তানেরা চুরি করে আকাশের সংবাদ শ্রবণ করত এবং তাদের কাছে বলে দিত। আকাশ থেকে যা শ্রবণ করত, তার সাথে আরো অনেক মিথ্যা কথা সংযোগ করে মানুষের ...

Read More »

যাদু কাকে বলে? যাদু শিক্ষার হুকুম কি?

আলেমগণ বলেন, যাদু বলা হয় প্রত্যেক এমন ক্রিয়া-কলাপকে, যার কারণ অস্পষ্ট ও গোপন থাকে, কিন্তু বাইরে তার প্রভাব দেখা যায়। গণক এবং জ্যোতিষের কার্যকলাপও যাদূর অন্তর্ভুক্ত। চাকচিক্যময় বক্তব্য ও ভাষার প্রভাবকেও যাদু বলা হয়। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, )إِنَّ مِنَ الْبَيَانِ لَسِحْرًا( “নিশ্চয়ই কিছু কিছু বক্তৃতার মধ্যে যাদু ...

Read More »

কাউকে আল্লাহর ওলী ভেবে তার কাছে বিপদে উদ্ধার কামনা করার জন্য ফরিয়াদ করা কি? আল্লাহর ওলী হওয়ার সঠিক আলামত কি?

আল্লাহ তাআ’লা ওলী হওয়ার গুণাগুণ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ )أَلا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلا هُمْ يَحْزَنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا وَكَانُوا يَتَّقُونَ( “মনে রেখো যে, আল্লাহর ওলীদের না কোন আশঙ্কা আছে, আর না তারা বিষন্ন হবে। তারা হচ্ছে সেই সব লোক, যারা ঈমান এনেছে এবং আল্লাহকে ভয় করে চলে।” ...

Read More »