শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / শির্‌ক ও বিদআত

শির্‌ক ও বিদআত

কোন নবী অলীর কবর যিয়ারতের জন্য সফর করা কি বৈধ?

বরকতময় তিনটি মসজিদ (অনুরূপ কুবার মসজিদ)ছাড়া বরকত ও সওয়াবের উদ্দেশ্যে অন্য কোন মসজিদ, মাযার বা ঐতিহাসিক স্থান যিয়ারত করার জন্য সফর নিষেধ। আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) বলেছেন, “তিনটি মসজিদ ছাড়া সফর করা যাবে না, (মক্কার) মসজিদে হারাম, (মদিনার) আমার এই মসজিদ এবং (জেরুজালেমের) মসজিদে আকসা।”  ৪৭৬ (বুখারী-মুসলিম) সুতরাং যে ব্যক্তি মদিনা ...

Read More »

মুশরিক ও বিদআতী ইমামের পিছনে নামায শুদ্ধ কি?

যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সাথে কোন ইবাদতে অন্য কোন সৃষ্টিকে শরীক করে, যেমন মাযার পূজা করে, মাযারে গিয়ে সিদজা, নযর-নিয়ায, মানত, কুরবানি, তাওয়াফ প্রভৃতি নিবেদন করে, যে ব্যক্তি গায়েবী (অদৃশ্যের খবর জানার) দাবি করে ও লোকেরা হাত বা ভাগ্য-ভবিষ্যৎ বলে দেয়, যে (কোন পশু বা পাখীর চামড়া, হাড়, লোম বা পালক ...

Read More »

ওযু, নামায ইত্যাদির নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা কি বিধেয়?

ইবাদতের নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা বিদআত। যেহেতু তা মহানবী (সঃ) তাঁর কোন সাহাবী কর্তৃক প্রমাণিত নয়। সুতরাং তা বর্জন করা ওয়াজেব। নিয়ত মানে সংকল্প। আর তাঁর স্থান হল মনে। অতএব তা মুখে উচ্চারণ করার কোনই প্রয়োজন নেই। ১৪১ ফুটনোটঃ১৪১ (ইবন বায, ইবন ঊসায়মিন)

Read More »

উযূতে তরতীব ওয়াজেব কি?

অনেকের মতে উযূতে তরতীব ওয়াজেব। যেহেতু মহান আল্লাহ উযূর আয়াতে তরতীব বজায় রেখে মাথা মাসাহর পরে পা ধোয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। অথচ ধোয়ার কথা মাসাহর পূর্বে আছে এবং তারই ইরাবে “আরজুলাকুম”-এ জবর হয়েছে। কিন্তু হাদীসে এসেছে, “আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) এর কাছে উযূর পানি আনা হল। তিনি উযূ করতে নিজের হাত ...

Read More »

কলোম্বোর এক মসজিদের ডান দিকে নবী (সঃ) এর কবরের ছবি টাঙ্গানো আছে। তাঁর সামনে মুসল্লীরা দাঁড়িয়ে নাবী (সঃ) এর উপর দরুদ পাঠ করে। এ কাজ কি শরীয়তসম্মত?

মসজিদের ভিতরে নবী (সঃ)এর কবরের (বা সবুজ গুম্ভজের) ছবি রাখা একটি আপত্তিকর বিদআত। পরন্ত তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে দরুদ পাঠ করা অন্য একটি আপত্তিকর বিদআত। এটি অতিরঞ্জনবশতঃ কৃত আচরণ। আর নবী (সঃ) বলেছেন, “তোমরা দ্বীনের ব্যপারে অতিরঞ্জন করা থেকে দূরে থেকো। কেননা অতিরঞ্জনই পূর্ববর্তী বহু উম্মতকে ধ্বংস করেছে।”১১০ (আহমাদ ১/২১৫, ৩৪৭, ...

Read More »

কুরআন তিলাওয়াত শেষে “স্বাদাক্বাল্লাহুল আযীম” বলা কি বিধেয়?

কুরআন তিলওয়াত শেষে “স্বাদাক্বাল্লাহুল আযীম” বলা বিধেয় নয়, বরং বিদআত। যেহেতু এ কাজ মহানবী (সঃ) তাঁর কোন সাহাবী অথবা তাঁদের পরবর্তী কোন ইমাম করে যাননি। অথচ তিনি ছিলেন অধিক অধিক কুরআন তিলাওয়াতকারী। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রঃ) বলেন, “একদা রাসুলুল্লাহ (সঃ) আমাকে বললেন, “(হে ইবনে মাসঊদ!) আমাকে কুরআন পড়ে শুনাও।” আমি ...

Read More »

মাতৃ-দিবস পালন করা কি বৈধ?

এটি আসলে অমুসলিমদের আবিষ্কৃত একটি ঈদ। সুতরাং মুসলমানদের তা পালন করা বিদআত এবং সেই সাথে কাফেরদের সাদৃশ্য অবলম্বন ও অন্ধঅনুকরণও। মুসলিমদের বাৎসরিক ঈদ দুটি এবং সাপ্তাহিক ঈদ একটি। এ ছাড়া র কোন ঈদ বা পালনীয় “দিবস” নেই। বলা বাহুল্য কাফেরদের অনুকরণে অনুরূপ সকল ঈদ বর্জনীয়। রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি ...

Read More »

হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) কে সোমবার দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে।”(মুসলিম)এ হাদিস থেকে কি প্রমাণ হয় না যে, মহানবী (সঃ) নিজের জন্মদিন পালন করতেন?

এ হাদিস থেকে জন্মদিন পালন করার কথা প্রমাণিত হয় না। যদি হয়েও থাকে, তাহলে প্রত্যেক সোমবারকে তাঁর জন্মদিন হিসেবে পালন করতে হবে এবং কেবল রোযা রাখার মাধ্যমে। নচেৎ তা কামার-পুকুরের দলীল দেখিয়ে কুমোর-পুকুর দখল করার মত ব্যপার হবে।

Read More »

তসবীহ গুনতে “তসবীহ-দানা” বা “তসবীহ-মালা” ব্যবহার করা বিদআত?

“তসবীহ-দানা” ব্যবহারকে বিদআত বলা হয় না। যেহেতু তা ইবাদতের একটু আসীলা। আর ইবাদাতের আসীলাকে বিদআত বলা হয় না। তবে তা সুন্নাহ পরিপন্থী। যেহেতু মহানবী (সঃ) ডান হাতের আঙ্গুল দ্বারা তসবীহ গুনেছেন। সুতরাং “তসবীহ-মালা” ব্যবহার না করাই উত্তম। এর আরও দুটি কারণ আছে। একঃ এতে তাসবীহকারী উদাস হয়ে থাকে। যেহেতু গোনা ...

Read More »

তিলাওয়াত শেষে কুরআন চুম্বন করা কি বৈধ?

না। উপর্যুক্ত কারণে তা বিদআত। ১০০ (লাজনাহ দায়েমাহ)শরীয়তে এ কাজের কোন ভিত্তি নেই। একদা মহানবী (সঃ) ইবনে মাসঊদ (রঃ) এর নিকট ক্বিরাআত শুনলেন। পরিশেষে তিনি তাকে ‘হাসবুক’ বলে থামতে বললেন। ১০১ (বুখারী ৫০৫০ নং) তখন তিনিও বলেননি এবং ইবনে মাসঊদও বলেননি।১০২ (ইবনে বায) এই কারণে এ কাজও বিদআত। ১০৩ (লাজনাহ ...

Read More »