শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / শির্‌ক ও বিদআত

শির্‌ক ও বিদআত

মূর্তিপূজা উপলক্ষে বসানো মেলা বা বাজার থেকে কোন বৈধ জিনিস ক্রয় করা কি অবৈধ?

হ্যাঁ। কারণ এতে তাদের শিরকের এক প্রকার সমর্থন হয়। তেমনি কোন মাজহাবের ধারে পাশে বসা মেলার দোকান থেকে কোন বৈধ জিনিস কেনাও অবৈধ।

Read More »

কোন বালা মুসীবত বা জিনভুতের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবিয ব্যবহার করা বৈধ কি?

তাবীয কবচ তিন প্রকারঃ (১) গায়রুল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে লেখা তাবীয, ফিরিশতা, জিন, নবী, অলি প্রভৃতির নাম লিখে তৈরি তাবীয, বিভিন্ন সংখ্যা বা হিজিবিজি লিখে তৈরি তাবীয। (২) কোন ধাতু, মাটি, গাছের ছাল বা শিকড়, পশুর লোম বা পাখির পালক, হাড়, কড়ি, কাপড় বা সুতো ইত্যাদি মাদুলিতে ভরে তৈরি তাবীয। ...

Read More »

ঝাড়ফুঁক করে কি পয়সা নেওয়া বৈধ?

বৈধ। আবু সাইদ খুদরী  ল বলেন, নবী (সঃ) এর কিছু সাহাবা আরবের কোন এক বসতিতে এলেন। কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা তাঁদেরকে মেহমান রূপে বরন করল না (এবং কোন খাদ্যও পেশ করল না)। অতঃপর তারা সেখানে থাকা অবস্থায় তাঁদের সর্দারকে (বিচ্ছুতে) দংশন করল। তারা বলল, ‘তোমাদের কাছে কি কোন ঔষধ অথবা ঝাড়ফুঁক ...

Read More »

পানি পড়া বৈধ কি না? পানি পাত্রে ফুঁক দিতে হাদিসে নিষেধ আছে, তাহলে পানি পড়তে ফুঁক দেওয়া কিভাবে বৈধ হতে পারে?

পানি পড়া বৈধ। যেহেতু কুরআন পড়ার বরকত মিশ্রিত ফুঁক ও থুথু, সেহেতু তাতে আরোগ্য লাভের আশা করা যায় এবং তা আপত্তিকর নয়।

Read More »

কোন মুশরিক বা অমুসলিম এর কাছে ঝাড়ফুঁক করানো বৈধ কি?

না কারণ মহানবী (সঃ) সাহাবা গণকে বলেছিলেন, “তোমরা তোমাদের ঝাড়ফুঁকের মন্ত্র গুলি আমার নিকট পেশ কর। ঝাড়ফুঁক করায় দোষ নেই, যতক্ষণ তাতে শিরক না থাকে।”  (মুসলিম) আর  মুশরিক  আর অমুসলিমরাতো শিরকী মন্ত্র পরেই ঝাড়ফুঁক করে।  

Read More »

কোন ব্যথা-বেদনা বা জালা-জন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাওয়ার মানসে ঝাড়ফুঁক করা বা করানো কি বৈধ?

ঝাড়ফুঁক করা অ করানো বৈধ। তবে তা কুরআনের আয়াত অথবা সহিহ হাদিসের দুয়া দ্বারা হতে হবে। সেই সাথে এ বিশ্বাস দৃঢ় রাখতে হবে যে, আরোগ্যদাতা  কেবল মহান আল্লাহ। নবী (সঃ) আপন পরিবারের কোন রোগী দর্শন করার সময় নিজের ডান হাত তার ব্যথার  স্থানে ফিরাতেন এবং এ দুয়াটি পরতেন, “আযহিবিল বা’স, ...

Read More »

জিন ছাড়ানোর জন্য পশু পাখী জবেহ করা কি শরীয়ত সম্মত?

জবেহর মাধ্যমে জীনকে সন্তষ্ট করে তাকে সরে যেতে বলা শিরক। যেহেতু আল্লাহ ছাড়া আর কারোর সন্তুষ্টি লাভের জন্য জবেহ বৈধ নয়। মহান আল্লাহ বলেন, বল, “ নিশ্চয় আমার নামায, আমার উপাসনা (কুরবানি), আমার জীবন, আমার মরণ, বিশ্ব-জগতের প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য।” (আনআমঃ ১৬২) আর নবী (সঃ) বলেছেন, “আল্লাহ তাকে অভিশাপ করেন ...

Read More »

যে ইমাম সাহেব তাবীয লিখেন এবং তার বিনিময়ও গ্রহণ করেন, তার পিছনে নামায শুদ্ধ কি?

যে ইমাম শিরক তাবীয লিখেন (অথবা মহিলাদের ঋতুস্রাব এর নেকড়া ইত্যাদি দ্বারা চিকিৎসা করেন), তার পিছনে নামায শুদ্ধ নয়। অবশ্য তিনি কুরআনী তাবীয লিখেন, তার পিছনে নামায শুদ্ধ। যেহেতু সে কাজ শিরক নয়। তবুও তার জন্য তা লিখা এবং কুরআনের অসম্মানের সম্মুখীন করা বৈধ নয়। (লাজনাহে দায়েমাহ)

Read More »