শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ

আযান ও ইকামতের ক্ষেত্রে রসূল (সাঃ) এর সুন্নাত

নাবী (সাঃ) থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি তারজীসহ  এবং তারজী ছাড়া- এ দু’টি পদ্ধতিতেই আযান দেয়া সুন্নাত হিসাবে সাব্যস্ত করেছেন।[1] একামতের শব্দগুলো একবার করে বলা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। তবে দুইবার করে অর্থাৎ আযানের ন্যায় বলাও জায়েয আছে।[2] (কিন্তু একবার করে বলার হাদীসগুলোর সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফে ...

Read More »

ঈদের কুরবানীর ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর সুন্নাত

কুরবানীর ক্ষেত্রে তাঁর পবিত্র সুন্নাত হল, তিনি কখনও এই সুন্নাতটি ছাড়েন নি। তিনি ঈদের দিন ঈদের সলাতের পর দু’টি করে মেষ কুরবানী করতেন। তিনি বলেছেন- যে ব্যক্তি ঈদের সলাতের পূর্বে জবাই করবে তার কুরবানী ইবাদত হিসেবে গণ্য হবেনা। এটি হবে গোশত খাওয়ার যবেহ, যা সে তার পরিবারের লোকদেরকে খাওয়াতে চেয়েছে। ...

Read More »

হজ্জের কুরবানী (হাদী) যবেহ করার ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ)-এর আদর্শ

নাবী (সাঃ) হজ্জের কুরবানীতে ছাগল ও উট যবেহ করেছেন। তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে গরু কুরবানী করেছেন। তিনি মদ্বীনাতে থাকা অবস্থায়, হজ্জের সফরে এবং উমরার সফরে হাদী (কুরবানী) প্রেরণ করেছেন। তিনি ছাগলের গলায় কেলাদা (কুরবানীর নিদর্শন হিসেবে মালা) পরাতেন। দাগ দিয়ে নিশানা লাগাতেন না। তিনি যদি কাবায় হাদী (কুরবানীর জানোয়ার) পাঠাতেন ...

Read More »

কুরবানী ও আকীকার ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর আদর্শ

কুরবানী ও আকীকাহ সেই আট প্রকার পশুর দ্বারাই করতে হবে, যা সূরা আনআমে বর্ণিত হয়েছে।[1] এ ছাড়া অন্যান্য জন্তু দিয়ে কুরবানী করার কথা প্রমাণিত নেই। এই আট প্রকার জন্তুর কথা কুরআনের চারটি আয়াতের মধ্যে উল্লেখ আছে। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন- أُحِلَّتْ لَكُمْ بَهِيمَةُ الأنْعَامِ    ‘‘তোমাদের জন্যে চতুষ্পদ জমত্মু হালাল করা ...

Read More »

কাবা ঘরে প্রবেশ করা কি হজ্জের সুন্নাত

অনেকেই মনে করেন, কাবা ঘরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করা হজ্জের সুন্নাত এবং নাবী (সাঃ)-এর অনুসরণের অন্তর্ভুক্ত। তবে এ ব্যাপারে বর্ণিত সকল হাদীস একত্রিত করলে বুঝা যায়, হাজ্জ বা উমরাহ করার সময় কাবা ঘরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন নি; বরং তিনি মক্কা বিজয়ের দিন তাতে প্রবেশ করেছেন। মুলতাযামে অবস্থানের ব্যাপারেও একই কথা। হাদীছে ...

Read More »

তানঈম থেকে আয়িশা (রাঃ) এর উমরাহ

সেই রাতে আয়িশা (রাঃ) আকাঙ্খা করলেন যে, তিনি যেন তাঁকে আলাদাভাবে একটি উমরাহ করার সুযোগ দান করেন। তিনি তাঁকে বললেন যে, কাবা ঘরের তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ায় সাঈ হাজ্জ এবং উমরাহ- উভয়ের জন্যই যথেষ্ট। কিন্তু তিনি স্বীয় অবস্থানে অনড় থাকলেন এবং আলাদাভাবে উমরাহ করার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করলেন। তাই নাবী (সাঃ) আয়িশা ...

Read More »

হাজীদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে কিংবা অন্য কোন শরঈ উযর থাকলে মিনায় রাত্রি যাপন করা জরুরী নয়ঃ

আব্বাস (রাঃ) হাজীদেরকে পানি পান করানোর জন্য মিনার রাতসমূহ মক্কায় কাটানোর অনুমতি চাইলে তিনি তাঁকে অনুমতি দিয়েছেন। উটের রাখালগণ মিনার বাইরে উটের নিকট রাত্রি যাপনের অনুমতি চাইলে তিনি তাদেরকেও অনুমতি দিয়েছেন। তিনি তাদেরকে কুরবানীর দিন এবং বাকী দুই দিনের পাথর এক সাথে দুই দিনের যে কোন এক দিন মারার অনুমতি ...

Read More »

বিদায় হজ্জের বছর দু’আ করার জন্য নাবী (সাঃ) কোথায় কোথায় অবস্থান করেছেন?

আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) বলেন- নাবী (সাঃ) বিদায় হজ্জের বছর দু’আ করার জন্য ছয়টি স্থানে অবস্থান করেছেন। (১) ‘সাফা’এর উপর (২) মারওয়ার উপর (৩) আরাফায় (৪) মুযদালিফায় (৫) জামারায়ে উলায় (ছোট জামারায়) এবং (৬) জামারায়ে উসতায় (মধ্যম জামারায়)। মিনায় তিনি দু’টি খুতবা দিয়েছেন। একটি দিয়েছেন কুরবানীর দিন। এটি পূর্বে উল্লেখ ...

Read More »

১১, ১২ এবং ১৩ তারিখে জামারায় পাথর নিক্ষেপের ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর পবিত্র সুন্নাত

অতঃপর তিনি সে দিনই মিনায় ফেরত গিয়ে তথায় রাত্রি যাপন করলেন। পরের দিন সকাল হলে তিনি সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেন। সূর্য ঢলে যাওয়ার সাথে সাথে তিনি জামারাতের দিকে হেটে গেলেন। এই সময় তিনি বাহনে আরোহন করেন নি। প্রথমে তিনি মসজিদে খাইফের নিকটবর্তী জামারায়ে উলার (প্রথম জামারাতের) কাছে ...

Read More »

তাওয়াফে ইফাযাহ (হজ্জের তাওয়াফ)

অতঃপর নাবী (সাঃ) আরোহী অবস্থায় যোহরের পূর্বে মক্কায় ফেরত আসলেন এবং তাওয়াফে ইফাযাহ (হজ্জের তাওয়াফ) করলেন। এটিই হচ্ছে তাওয়াফে যিয়ারত। এ ছাড়া তিনি আর কোন তাওয়াফ করেন নি। এর সাথে তিনি সাঈ করেন নি।[1] এটিই হচ্ছে সঠিক কথা। এতে এবং বিদায়ী তাওয়াফেও তিনি রমল করেন নি। তিনি শুধু তাওয়াফে কুদুমে ...

Read More »