শিরোনাম :

যাকাত

নফল সাদকার ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর সুন্নাত

তিনি লোকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী দানশীল ছিলেন। সাদকাহ ও দানের ক্ষেত্রে তাঁর পবিত্র সুন্নাত ছিল যে, তাঁর কাছে কোন সম্পদ আসলে সাথে সাথে তা দান করে দিতেন, নিজের কাছে রেখে দিতেন না। কেউ তাঁর কাছে কোন কিছু চাইলে তা যদি তাঁর কাছে থাকত, তাহলে তিনি তা দান করতেন। কম হোক ...

Read More »

নাবী (সাঃ) এর যাকাত বণ্টন করার পদ্ধতি

তিনি যদি কোন লোকের অবস্থা থেকে জানতে পারতেন যে সে যাকাতের হকদার তাহলে তিনি তাকে যাকাত থেকে দান করতেন। আর এমন কোন লোক যদি যাকাতের মাল চাইত যার অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় নি যে সে যাকাতের হকদার কি না, তাহলে তাকেও তিনি দিতেন। তবে এরূপ ক্ষেত্রে তিনি বলে দিতেন যে, ...

Read More »

বিভিন্ন প্রকার সম্পদে যাকাতের বিভিন্ন নিসাব

তিনি প্রত্যেক বছর মাত্র একবার যাকাত দেয়া আবশ্যক করেছেন। প্রত্যেক বছর ফল ও ফসল পরিপূর্ণরূপে পাকা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেছেন। এটি একটি অসাধারণ ও অদ্বিতীয় ন্যায় সংগত ব্যবস্থা। কেননা প্রত্যেক মাসে বা সপ্তাহে একবার ফরয করা হলে ধনীদের কষ্ট ও ক্ষতি হত। আর জীবনে একবার ফরয করা হলে দরিদ্রদের হক ...

Read More »

যে সমস্ত মালের যাকাত দিতে হয়

তিনি চার প্রকার মালের মধ্যে যাকাত ফরয করেছেন। কেননা এগুলোই মানুষের মাঝে সর্বাধিক আদান-প্রদান ও হস্তান্তরিত হয় এবং এগুলোর প্রতিই মানুষের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশী। ক. যমীন থেকে উৎপন্ন ফসল ও ফল। খ. চতুষ্পদ জন্তু যেমন উট, গরু ও ছাগল। গ. স্বর্ণ-রোপ্য, যার উপর অর্থনৈতিক লেনদেনের মূল ভিত্তি। ঘ. ব্যবসায়িক বিভিন্ন ...

Read More »

যাকাতের ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর আদর্শ

নাবী (সাঃ) উম্মাতের জন্য একটি পরিপূর্ণ যাকাত ব্যবস্থা পেশ করেছেন। যাকাতের সময়, পরিমাণ, নেসাব, যাদের উপর তা ফরজ, যারা এর হকদার ইত্যাদি বিষয় সুস্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন। তিনি এতে ধনী ও দরিদ্র উভয় শ্রেণীর স্বার্থের প্রতি পূর্ণ খেয়াল রেখেছেন। আল্লাহ্ তা‘আলা সম্পদশালী ও তার সম্পদকে পবিত্র করার জন্যই যাকাত ফরয ...

Read More »

জনৈক ফক্বীর এক ধনী লোকের যাকাত নিয়ে আসে এই কথা বলে যে, তার পক্ষ থকে সে তা বিতরণ করে দিবে। তারপর তা সে নিজের কাছেই রেখে দেয়। তার এ কাজের বিধান কি?

এটা হারাম। ইহা আমানতের খিয়ানত। কেননা মালিক তো দায়িত্বশীল হিসেবে তাকে যাকাত দিয়েছে। যাতে করে উহা বন্টন করে দেয়। অথচ সে নিজেই তা রেখে দেয়। বিদ্বানগণ উল্লেখ করেছেন, কোন বস্তর জিম্মাদারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উক্ত বস্ত থেকে নিজের জন্য কোন কিছু নিতে পারবে না। অতএব এই ব্যক্তির উপর আবশ্যক হচ্ছে যাকাতের মালিককে ...

Read More »

স্ত্রী যদি স্বামীর সম্পদ থেকে নিজের জন্য দান করে বা তা মৃত নিকটাত্মীয়ের জন্য দান করে, তবে তা জায়েয হবে কি?

একথা নিশ্চিত জানা যে, স্বামীর সম্পদ স্বামীরই। অনুমতি ছাড়া কারো সম্পদ দান করা কারো জন্য বৈধ নয়। স্বামী যদি অনুমতি প্রদান করে তবে স্ত্রীর নিজের জন্য বা তার মৃত আত্মীয়ের জন্য দান করা জায়েয, কোন অসুবিধা নেই। অনুমতি না পেলে এরূপ করা হালাল নয়। কেননা এটা তার সম্পদ। আত্মার সন্তষ্টি ...

Read More »

মানুষ তার জীবদ্দশায় যা দান করে তাকেই কি সাদকায়ে জারিয়া বলে? নাকি মৃত্যুর পর আত্মীয়-স্বজনের দানকে সাদকায়ে জারিয়া বলে?

হাদীছে এরশাদ হয়েছে মানুষ মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ছাড়া সব আমল বন্ধ হয়ে যায়। ১) সাদকায়ে জারিয়া ২) ইসলামী জ্ঞান, উপকারী বিদ্যা লিপিবদ্ধ করে যাওয়া ৩) সৎ সন্তানদের দু’আ। এ হাদীছের বাহ্যিক অর্থে বুঝা যায়, জীবিত অবস্থায় ব্যক্তির দানকেই সাদকা জারিয়া বলা হয়। মৃত্যুর পর তার সন্তানদের দানকে নয়। ...

Read More »

যাকাত-সাদকা আদায় করা কি শুধু রামাযান মাসের জন্যই বিশিষ্ট?

দান সাদকা রামাযান মাসের সাথে নির্দিষ্ট নয়; বরং উহা সর্বাবস্থায় প্রদান করা মুস্তাহাব। আর নেসাব পরিমাণ সম্পদে বছর পূর্ণ হলেই যাকাত দেয়া ওয়াজিব। রামাযানের অপেক্ষা করবে না; হ্যাঁ রামাযান যদি নিকটবর্তী হয় যেমন শাবান মাসে বছর পূর্ণ হচ্ছে- তবে রামাযান পর্যন্ত বিলম্ব করে যাকাত বের করলে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু ...

Read More »

নিকটাত্মীয়দের যাকাত প্রদান করার বিধান কি?

নিকটাত্মীয়ের ব্যাপারে মূলনীতি হচ্ছেঃ নিকটাত্মীয়ের ব্যয়ভার বহন করা যদি যাকাত প্রদানকারীর উপর ওয়াজিব বা আবশ্যক হয়ে থাকে, তবে তাকে (উক্ত নিকটাত্মীয়কে) যাকাত দেয়া জায়েয নয়। কিন্তু সে যদি এমন ব্যক্তি হয় যার খরচ বহন করা যাকাত প্রদানকারীর উপর আবশ্যক নয়, তবে তাকে যাকাত প্রদান করা জায়েয। যেমন সহদোর ভাই। যদি ...

Read More »