শিরোনাম :

সাওম (রোযা)

ইতেকাফের ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর সুন্নাত

আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ ভরসা এবং তাঁর দিকে সম্পূর্ণ প্রত্যাবর্তন ব্যতীত অন্তরের সংশোধন এবং আল্লাহর পছন্দনীয় পথে চলা সম্ভব নয়। আর আল্লাহর দিকে সম্পূর্ণ প্রত্যাবর্তন ব্যতীত অন্তরের প্রশান্তি লাভ করা যায়না। প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানাহার, মানুষের সাথে অধিক মেলামেশা, অতিরিক্ত ঘুম এবং বেশী কথা বলা মানুষের অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে, তাতে পেরেশানী ...

Read More »

নফল সিয়াম রাখার ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর সুন্নাত

তিনি একাধারে এত বেশী নফল সিয়াম রাখতেন, যাতে বলা হত, তিনি আর কখনও সিয়াম ছাড়বেন না। আর যখন সিয়াম রাখা ছেড়ে দিতেন, তখন এমন বলা হত যে তিনি আর নফল সিয়াম রাখবেনই না। রমযান মাস ব্যতীত তিনি আর কোন পূর্ণমাস সিয়াম রাখেন নি। তিনি শাবান মাসের চেয়ে অধিক নফল সিয়াম ...

Read More »

যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভেঙে যায়

যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে, ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা। ২. শিঙ্গা লাগানো। ৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা। ৪. স্ত্রী সহবাস করা। স্ত্রী সহবাস করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি কুরআনেই উল্লেখ আছে। চোখে সুরমা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবেনা। নাবী (সাঃ) থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করতেন। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ...

Read More »

সিয়াম অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা

তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয। ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের ...

Read More »

সফর অবস্থায় সিয়াম রাখা

তিনি রমযান মাসে ভ্রমণ করেছেন। সফর অবস্থায় তিনি কখনও সিয়াম রেখেছেন আবার কখনও সিয়াম ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি সাহাবীদেরকে সফর অবস্থায় উভয়টির যে কোন একটি গ্রহণ করার স্বাধীনতা দিয়েছেন। শত্রুদের নিকটবর্তী হলে মুজাহিদদেরকে সিয়াম ছেড়ে দেয়ার আদেশ দিতেন।[1] কতটুকু রাস্তা ভ্রমণ করলে মুসাফিরের জন্য সিয়াম ভঙ্গ করা জায়েয তার কোন নির্ধারিত ...

Read More »

রমযান মাসের আগমন ও সিয়ামের বিভিন্ন আহকাম

নাবী (সাঃ) এর পবিত্র সুন্নাত ছিল যে, চাঁদ উঠার খবরটি প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা কমপক্ষে এক জনের সাক্ষীর উপর ভিত্তি না করে রমযান মাসের সিয়াম রাখা শুরু করতেন না। নিজে চাঁদ না দেখলে কিংবা কোন সাক্ষী পাওয়া না গেলে শাবান মাসকে ত্রিশ দিনে পূর্ণ করতে হবে। শাবান মাসের ২৯তম ...

Read More »

সিয়াম তথা সিয়াম রাখার ক্ষেত্রে নাবী (সাঃ) এর হিদায়াত

সিয়াম সাধনার উদ্দেশ্য হল কুপ্রবৃত্তির চাহিদা থেকে আত্মাকে রক্ষা করা। যাতে সে পরিপূর্ণ শান্তি ও সৌভাগ্য লাভে ধন্য হয়, পরকালীন চিরস্থায়ী জীবনের জন্য প্রস্ত্ততি গ্রহণ করে, ক্ষুধা ও পিপাসা যেন নফসের চাহিদাকে কমিয়ে দেয়, ফকীর-মিসকীনদের ক্ষুধার্ত থাকার জ্বালা যেন অনুভব করে, এবং বান্দা পানাহার কমিয়ে দেয়ার মাধ্যমে যেন শরীরের রগে ...

Read More »

এ‘তেকাফ এবং এ‘তেকাফকারীর বিধান কি?

এ‘তেকাফ হচ্ছে নিঃসঙ্গ অবস্থায় আল্লাহ্‌র আনুগত্য করার জন্য মসজিদে অবস্থান করা। লায়লাতুল কদর অনুসন্ধান করার জন্য এ‘তেকাফ করা সুন্নাত। আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র কুরআনে এদিকে ইঙ্গিত করে এরশাদ করেন,  وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ “মসজিদে এ‘তেকাফ করা অবস্থায় তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো না।” (সূরা বাক্বারাঃ ১৮৭) ছহীহ্‌ বুখারীতে প্রমাণিত আছে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ...

Read More »

কোন মানুষ যদি নফল ছিয়াম ইচ্ছাকৃত ভঙ্গ করে ফেলে, তবে কি গুনাহগার হবে? যদি সহবাসের মাধ্যমে ভঙ্গ করে, তবে কি কাফ্‌ফারা দিতে হবে?

কোন মানুষ নফল রোযা রেখে যদি পানাহার বা স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে ভঙ্গ করে ফেলে, তবে কোন গুনাহ্‌ নেই। নফল রোযা শুরু করলেই তা পূর্ণ করা আবশ্যক নয়। তবে হজ্জ-ওমরার কাফ্‌ফারার রোযা পূর্ণ করতে হবে। কিন্তু নফল ছিয়াম শুরু করার পর পূর্ণ করাই উত্তম। তাই নফল ছিয়াম রেখে স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে ...

Read More »