শিরোনাম :

সাওম (রোযা)

কোন ব্যক্তি যদি সুন্নাত ও নফল সিয়াম বিনা কারণে ভঙ্গ করে তবে সেটা কি আবার কাযা করতে হবে?

না, তার কাযা বা কাফফারা কিছুই নেই, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, الصَّائِمُ الْمُتَطَوِّعُ أَمِيرُ نَفْسِهِ إِنْ شَاءَ صَامَ وَإِنْ شَاءَ أَفْطَرَ নফল সিয়াম পালনকারী তার নিজের উপর কর্তৃত্বশীল। চাইলে সে সিয়াম পালন করে যাবে বা ইচ্ছা করলে তা নাও রাখতে পারে। (আহমাদ : ২৬৩৫৩; তিরমিযী : ৭৩২)

Read More »

বিবাহে অসমর্থ যুবকদের উদ্দেশ্যে মহানাবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপদেশ শুনতে চাই।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنْ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ হে যুবকেরা, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি যৌন মিলন ও পরিবারের ভরণ পোষণের ক্ষমতা রাখে সে যেন বিবাহ করে, কেননা এতে দৃষ্টি অবনমিত হয় এবং ...

Read More »

আল্লাহর নাবী দাঊদ আলাইহিস সালাম কীভাবে সওম পালন করতেন?

(ক) এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, أَحَبُّ الصِّيَامِ إِلَى اللهِ صِيَامُ دَاوُدَ وَكَانَ يَصُوْمُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمًا ‘‘আল্লাহর কাছে (নফল সিয়ামের মধ্যে) সবচেয়ে প্রিয় সিয়াম হল দাঊদ আলাইহিস সালাম’র সিয়াম। তিনি একদিন সিয়াম পালন করতেন, আর এক দিন সিয়াম ত্যাগ করতেন। (মুসলিম : ১১৫৯) (খ) অন্য আরেক হাদীসে ...

Read More »

শাবান মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি পরিমাণ সিয়াম পালন করতেন?

আয়েশা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : مَا رَأَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ -صلى الله عليه وسلم- اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ إِلاَّ رَمَضَانَ، وَماَ رَأَيْتُهُ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِيْ شَعْبَانَ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে শাবান মাস ব্যতীত অন্য মাসে এত অধিক পরিমাণে নফল সিয়াম পালন করতে দেখিনি।  (বুখারী ১৯৬৯)

Read More »

সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার- এ দু’দিন সিয়াম পালন করা সুন্নাত। কিন্তু প্রশ্ন হল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন এ দু’দিন রোযা রাখতে পছন্দ করতেন?

(ক) আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সোমবারে রোযা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি এর উত্তরে বলেছিলেন, ذَلِكَ يَوْم وُلِدَتْ فِيْهِ وَيَوْم بِعْثَتٍ فِيْهِ أَوْ أُنْزِلَ عَلَى فِيْهِ ‘‘এ দিনে আমার জন্ম হয়েছে এবং এ দিনে আমাকে নবুওয়াত দেয়া হয়েছে বা আমার উপর ...

Read More »

এ ৩ দিনের সিয়াম পালন তো সুন্নাত। কাজেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটাকে কতটুকু গুরুত্ব দিতেন?

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, كَانَ رَسُولُ اللهِ -صلى الله عليه وسلم-لاَ يُفْطِرُ أَيَّامَ الْبِيْضِ فِي سَفَرٍ وَلاَ فِي حَضَرٍ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে হোক বা নিজ বাড়ীতে হোক- এ দু হালতের কোন অবস্থাতেই আইয়্যামুল বীদের এ ৩ দিনের সিয়াম কখনো ত্যাগ করতেন না। (নাসাঈ)

Read More »

প্রতি চন্দ্র মাসের কোন ৩ দিন এ সিয়াম পালন করব তা কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্ধারিত করে দিয়েছেন?

হাঁ, সে দিনগুলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখ করে দিয়েছেন আবূ যার গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এভাবে বলেছেন : يَا أَبَا ذَرٍّ إِذَا صُمْتَ مِنَ الشَّهْرِ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ فَصُمْ ثَلاَثَ عَشَرَةَ وَأَرْبَعَ عَشَرَةَ وَخَمْسَ عَشَرَةَ.  হে আবূ যার, যদি তুমি প্রতি মাসে তিন ...

Read More »

এ ৩ দিনের সিয়াম পালনের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী কী ফযীলত বর্ণনা করেছেন?

আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এক হাদীসে এসেছে صَوْمُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَمَضَانَ إِلَى رَمَضَانَ صَوْمُ الدَّهْرِ প্রত্যেক মাসে ৩ দিন সিয়াম এবং এক রমযান থেকে আরেক রমযান পর্যন্ত সিয়াম পালন করলে পূর্ণ বছর সিয়াম আদায়ের সমপরিমাণ সাওয়াব আমলনামায় লিপিবদ্ধ হয়। (মুসলিম : ১১৬২)

Read More »

বর্ণিত এ ৩ দিনের সিয়াম পালনের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাই।

আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে, أَوْصَانِيْ خَلِيلِيْ -صلى الله عليه وسلم- بِثَلاَثٍ : صِيَامِ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَكْعَتَيْ الضُّحَى وَأَنْ أُوتِرَ قَبْلَ أَنْ أَنَامَ আমার বন্ধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ৩টি বিষয় আমল করতে আমাকে উপদেশ দিয়েছেন। সেগুলো হলো (১) প্রত্যেক (চন্দ্র মাসে) ৩ দিন ...

Read More »

আশুরার সওম পালনের এত সাওয়াব কি ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু’র শহীদ হওয়ার কারণে?

না, সেজন্য নয়। বরং আশুরার এ দিনটি পূর্ববর্তী যামানার নাবীদের সময় থেকেই অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলতপূণ দিন হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে। এ দিনে মূসা (আঃ) কে ফিরআউনের হাত থেকে আল্লাহ রক্ষা করেছিলেন। তবে এ দিনের অনেক কাহিনী শোনা যায় যার কিছু হল দুর্বল, আর বেশির ভাগই তথ্য নির্ভর নয়। এরপরও ...

Read More »