শিরোনাম :
প্রচ্ছদ / ফিকহ

ফিকহ

তাক্বলীদ (দলীলবিহীন অনুসরণ) ও ইত্তেবার (দলীলভিত্তিক অনুসরণ) মধ্যে পার্থক্য

শানকীত্বী (রাহি.) বলেন,[1] জেনে রাখুন যে, তাক্বলীদ ও ইত্তেবার মধ্যে পার্থক্য জানা জরুরী। ইত্তেবার স্থলে কোন অবস্থাতেই তাক্বলীদ করা বৈধ নয়। এর বিস্তারিত আলোচনা এই যে, যে সব বিধানের ব্যাপারে কুরআন, হাদীস অথবা মুসলমানদের প্রকাশ্য ইজমার দলীল পাওয়া যায় সে সব ক্ষেত্রে কোন অবস্থাতেই তাক্বলীদ বৈধ নয়। কেননা যে ইজতিহাদ দলীল ...

Read More »

মুকাল্লিদরা (দলীলবিহীন অনুসরণকারী) দু’টি বিষয়ে প্রতারিত হয়:[1]

জেনে রাখা ভাল যে, মুকাল্লিদরা দু‘টি ক্ষেত্রে প্রতারিত হয়ে থাকেন। তারা মনে করে যে, তাদের এ ধারণা সত্য। অথচ তা সত্য থেকে অনেক দূরে। এ ধারণা দু’টি আল্লাহ্‌র নিন্মোক্ত সাধারণ বাণীর  অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ্‌ বলেন:                              ﴿ إِنَّ الظَّنَّ لَا يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا﴾ নিশ্চয় সত্যের বিপরীতে ধারণা কোন কার্যকারিতা রাখে না (ইউনূস-৩৬)। রাসূল (সাঃ) বলেন: إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيثِ তোমরা ধারণা করা ...

Read More »

ইলমে ফিক্বহ এর উৎপত্তি (نشأة علم الفقه)

মহানাবী (ﷺ) এর যুগে ফিক্বহ শাস্ত্র (الفقه في عهد النبي صلى الله عليه وسلم) জেনে রাখুন! রাসূল (ﷺ) এর স্বর্ণযুগে ফিক্বহ শাস্ত্র রচিত হয় নি। বর্তমান যুগের ফক্বীহগণ যেমনটি তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিভিন্ন বিধানের রুকনসমূহ, শর্তসমূহ, আদাব বা শিষ্টাচারসমূহ প্রণয়ন ও দলীল দ্বারা একটিকে অপরটি থেকে পৃথক করার যে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, রাসূল (ﷺ) এর যুগে ধর্মীয় বিধান নিয়ে ...

Read More »

ফিক্বহ শাস্ত্র – এ গ্রন্থ প্রণয়নের পদ্ধতি (المسلك في هذا الكتاب)

অতঃপর উল্লেখিত তিনটি বিষয় আমাকে এ গ্রন্থটি প্রণয়নের ক্ষেত্রে অগ্রগামী হতে উৎসাহিত করেছে। আমি আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন এর দ্বারা ইসলাম ও মুসলমানদের উপকার দান করেন এবং তিনি যেন এটাকে তার দ্বীনের পা–ত্য অর্জনের পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ হিসেবে গ্রহণ করেন। আর আমি অন্যের মাঝে যে নেতিবাচক দিকগুলো ...

Read More »

ফিক্বহ শাস্ত্র – যে তিনটি কারণ আমাকে বইটিকে এ পদ্ধতিতে ও বিন্যাসে সাজাতে উদ্বুদ্ধ করেছে

প্রথমত: পুরাতন ফিক্বহ শাস্ত্রগুলোর কিছু নেতিবাচক মনোভাব। সেটা গঠনগত দিক থেকে হতে পারে কিংবা বিষয়বস্ত্তগত দিক থেকে হতে পারে:[1] ক। গঠনগত, বিন্যাসগত ও অধ্যায়গত দিকগুলো হলো: এ সমস্ত কিতাবের মধ্যে কিছু কিতাবের বিষয়বস্ত্তগুলো এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যে, একটি বিষয় অন্যটির মাঝে অনুপ্রবেশ করেছে। ফলে কাঙিক্ষত মাসআলাটি উদ্ঘাটন করা কঠিন হয়ে ...

Read More »

‘‘ফিক্বহুল ইসলামী’’ লেখকের কথা (مقدمة المؤلف)

الحمد لله على آلائه، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له في أرضه وسمائه، وأشهد أن محمدً عبده ورسوله وخاتم أنبيائه، صلى الله عليه وعلى وآله وأصحابه صلاة دائمة إلى يوم لقائه وسلم تسليمًا كثيرًا. সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য যিনি অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। আসমান ...

Read More »

কাব (রাঃ) এর ঘটনায় যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় জানা যায়

হে প্রিয় ভাই! আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে ও আপনাকে সঠিক কথা জানার এবং তার অনুসরণ করার তাওফীক দিন। জেনে রাখুন! কা’ব বিন মালেক (রাঃ) এর ঘটনা থেকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো জানা যায়- মুসলমানের গীবত করা হলে গীবতকারীর প্রতিবাদ করা মুস্তাহাব। যেমন করেছিলেন মুআয বিন জাবাল (রাঃ)    পরিস্থিতি যতই জটিল হোক, সদা সত্য ...

Read More »

তায়েফের যুদ্ধ হতে যে সমস্ত মাসআলা জানা যায়

হারাম মাসেও যুদ্ধ করা জায়েয। প্রথমে হারাম মাসে যুদ্ধ করা নিষিদ্ধ ছিল। পরবর্তীতে তা রহিত হয়ে গেছে। কেননা রসূল (সাঃ) মদ্বীনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে রমযান মাসের শেষের দিকে বের হয়েছেন। মক্কায় পৌঁছে ১৯ দিন অবস্থান করেছেন। অতঃপর হাওয়াযেন গোত্রের দিকে বের হয়েছেন এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। অতঃপর তায়েফে গিয়ে ...

Read More »

হুনাইন যুদ্ধ থেকে নিম্মলিখিত শিক্ষাগুলো গ্রহণ করা যায়

হুনাইন যুদ্ধের মাধ্যমে জানা যায় যে, শত্রুদের নিকট থেকে যোদ্ধাস্ত্র ধার নেওয়া যায়। কেননা নাবী (সাঃ) হুনাইনের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বে সাফওয়ান বিন উমাইয়ার নিকট হতে অস্ত্র ধার নিয়েছিলেন। সাফওয়ান তখন মুশরিক ছিল। অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে যাওয়া আল্লাহর উপর ভরসার পরিপন্থী নয়। বরং তা পরিপূর্ণরূপে আল্লাহর উপর ভরসা করার অন্তর্ভুক্ত। ...

Read More »

হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিষ কুড়ানো জায়েয নয়

নাবী (সাঃ) আরও বলেন- হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিষও কুড়ানো যাবেনা। তবে ঘোষণা করে তার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য কুড়ানো জায়েয আছে। এই হাদীছের মাধ্যমে জানা গেল যে, কোন অবস্থাতেই হারাম অঞ্চলের জিনিষের মালিক হওয়া যাবে না এবং শুধু মালিকের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্যই তা উঠানো জায়েয আছে। ...

Read More »